ক্রমে খুলছে গরু পাচার চক্রের (cattle smuggling) রহস্য। সিবিআই(CBI)-এর হাতে উঠে আসছে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন ছোটখাটো নয় এক বিশাল বড় চক্র কাজ করছে এর পিছনে। গতকাল উঠে আসা বিএসএফ কম্যান্ডার সতীশ কুমারই শুধু নন, পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িত বিএসএফ (BSF) ও শুল্ক দফতরের (customs) অন্তত কমপক্ষে ১২ জন আধিকারিক (offices)। এদের মধ্যে ৭ জনই বিএসএফ ও ৫ জন শুল্ক দফতরের আধিকারিক।
গরু পাচারের রহস্য উদ্ধারে বুধবারই কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) ১৬টি ঠিকানায় তল্লাশি চালান সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা। বিধাননগরে অভিযুক্ত বিএসএফ আধিকারিক সতীশ কুমারের বাড়ি সিল করে দিয়েছে সিবিআই।
দুর্নীতিগ্রস্ত আধিকারিকদের বিষয়ে জানা গেছে পাচারকারী এনামুল হক-সহ আরও ৩ ব্যবসায়ীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন তাঁরা। এনামুল ছাড়াও আনারুল শেখ ও গোলাম মোস্তফা নামে ২ পাচারকারীর সন্ধান মিলেছে। এদের কাছেই আটক হওয়া গরুর দাম কম দেখিয়ে নিলাম করা হত। সেই গরু বাংলাদেশে পাচার করতেন এই তিন ব্যবসায়ী। আর তারপর পাওয়া মোটা টাকা পকেট-এ ঢুকতো বিএসএফ ও শুল্ক দফতরের এই দুর্নীতিগ্রস্ত অফিসারদের পকেটে।
সিবিআই অফিসার জানিয়েছেন, আটক করা বড় গরুকে ছোট আকারের দেখিয়ে সরকারি তহবিলে নাম মাত্র টাকা দিয়ে বাকি টাকা আত্মসাৎ করতেন এই ১২ জন আধিকারিক। গরু যাদের বিক্রি করার হত তাদের কাছ থেকে গরুর দাম ছাড়াও নেওয়া হত অতিরিক্ত ২৫০০ টাকা। এর মধ্যে ২,০০০ টাকা ঢুকত বিএসএফ-এর পকেটে। বাকি ৫০০ টাকা নিতেন শুল্ক দফতরের আধিকারিকরা। এর পর বিনা বাধায় গরু পৌঁছে যেত ভারত ছেড়ে বাংলাদেশে।





