যেদিন সত্যি মারতে আরম্ভ করবো হাসপাতালে বেডও পাবে না, বাইরে বেড খাটাতে হবে! তৃণমূলকে ফের বেলাগাম আক্রমণ দিলীপের

বাংলায় ভোট আসছে। বেলাগাম, নজিরবিহীন আক্রমণে একে অপরকে বিঁধছেন রাজনৈতিক নেতারা। কুছ পরোয়া নেহি! বিধানসভা নির্বাচন পর্যন্ত এমন হওয়াটাই দস্তুর।
বিজেপির নেতা কর্মী সমর্থকদের ওপর বারেবারেই হামলা চালাচ্ছে শাসকদল তৃণমূল।
আর সেই সমস্ত হামলার দায় চাপানো হচ্ছে বিজেপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধেই, এমন অভিযোগের‌ই এবার সপাট জবাব দিলেন বঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
আজ শনিবার প্রাতঃকালীন বক্তব্যে রাজ্যের শাসকদলের দিকে ফের করা আক্রমণ শানালেন দিলীপ। হুমকি দিয়ে বললেন, “যেদিন সত্যি সত্যি মারতে আরম্ভ করবো সেদিন ব্যান্ডেজ বাঁধার জায়গা থাকবে না। এমনকি হাসপাতালে বেডও পাবে না। বাইরে বেড খাটাতে হবে।”
এরপরই বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে নিজের আক্রমণের নিশানায় নিয়ে দিলীপ বাবুর হুঁশিয়ারি, রাজ্যে পিসি ভাইপোর রাজত্ব চলবে না। আমরা সাধারণ মানুষের হাতে সরাসরি সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দিতে চাই। কিন্তু তৃণমূলের দালাল নেতা কর্মীরা তা করতে দিচ্ছে না।
এদিন নিউটাউনে রাজ্য বিজেপি সভাপতি বলেন, “সূচি অনুযায়ী এপ্রিলে হবে নির্বাচন, মে তে গঠিত হবে নতুন সরকার। নির্বাচন আজকে হলেও আমরা তৈরি। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দল প্রস্তুত নয়, তাই তারা পুরসভা ও পুরনিগম ভোট আটকে রেখেছে।” দিলীপের চ্যালেঞ্জ, “সমস্ত পুরসভার নির্বাচন হোক, দেখা যাক কার কত ক্ষমতা।” তিনি আরও বলেন, “বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি শেষ, আমাদের কেন্দ্রীয় নেতারা আসছেন, সংগঠন তৈরি, আন্দোলন জারি আছে।” অন্যদিকে তৃণমূল নিজেদের ঘর বাঁচাতে ব্যস্ত বলেই এদিন কটাক্ষ করেন দিলীপ। পাশাপাশি এদিন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনেরও কড়া সমালোচনা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। অমর্ত্যর উদ্দেশ্যে দিলীপের কটাক্ষ,”যদি তিনি একটি নির্দিষ্ট দল বা বিচারধারার হয়ে কথা বলেন তাহলে আমরা ভাববো তবে কি ভুল মানুষকে দেওয়া হল পুরস্কার!”
উল্লেখ্য, তৃণমূলের গড় বলে পরিচিত ভাঙ্গড়। কিন্তু তৃণমূলের সেই খাসতালুক ভাঙতে তৎপর বিজেপি নেতৃত্ব। ওই এলাকায় লাগাতার নানা কর্মসূচি পালন করে চলেছে গেরুয়া শিবির। এর আগেও কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে একাধিকবার ভাঙড়ে পা রেখেছেন দিলীপ ঘোষ। এদিন এক চায়ে পে চর্চা তে যোগ দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। চা চক্রে উপস্থিত ছিলেন দলের স্থানীয় নেতা কর্মীরাও। ছিলেন এলাকার সাধারণ মানুষও। বিভিন্ন দিক থেকে রাজ্য সরকার তথা শাসক দলের সমালোচনায় সরব হন দিলীপ।

আরও অন্যান্য খবর