অসম পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত সাত বছরের এক শিশুকে ধ’র্ষ’ণ করে নৃশংসভাবে খুন করা এক অপরাধী। অসমের উদালগুড়ি জেলার পুলিশ আজ, বুধবার ভোররাতে এই এনকাউন্টার করেছে বলে জানা গিয়েছে। এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে ধ’র্ষ’ণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত বছর ৩৮-এর রাজেশ মুন্ডার। দ্বিতীয় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অসম পুলিশ সরাসরি মৃত্যুর ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
জানা গিয়েছে, গত মঙ্গলবার রাতেও ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীকে গ’ণধ’র্ষ’ণে অভিযুক্ত বিকি আলিকে এক এনকাউন্টারে খতম করে অসম পুলিশ। হিমন্ত বিশ্ব শর্মা নতুন সরকার গঠনের পর থেকে বেশ আক্রমণাত্মক ভূমিকায় দেখা গিয়েছ অসম পুলিশকে।
ধ’র্ষ’ণের অভিযুক্তকে এনকাউন্টার করা নিয়ে একটি বিবৃতি জারি করেছে অসম পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে যে গত ১০ মার্চ সাত বছরের এক শিশুকে ধ’র্ষ’ণ করে খুন করার মামলা দায়ের ক্রাভ হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে শুরু হয় তদন্ত। এরপর গতকাল, মঙ্গলবার বাইহাটা চারিয়ালীর এক কারখানা থেকে গ্রেফতার করা হয় এই ঘটনায় অভিযুক্ত রাজেশ মুন্ডাকে।
পুলিশ সূত্র অনুযায়ী, আজ, বুধবার বেলা আড়াইটে নাগাদ অভিযুক্তকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কিন্তু সেই সময় হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে সে। তাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চালায় পুলিশ। অভিযুক্তকে ধরার জন্য কয়েক রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে পুলিশ। এরপর অভিযুক্তকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
গত বছর মে মাসে অসমের বিধানসভা নির্বাচনে জিত হয় বিজেপির। এরপর সে রাজ্যে সরকার গড়েন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তাঁর আমলে অসম পুলিশের মধ্যে এনকাউন্টারের প্রবণতা বেড়েছে। হিমন্ত বিশ্ব শর্মা স্বরাষ্ট্র বিভাগের দায়িত্ব নেওয়ার পর পুলিশকে নির্দেশ দেন যাতে কঠোর হাতে অপরাধীদের দমন করা হয়। এমনকি, তারা যদি হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা করে বা পুলিশকে আক্রমণ করে, তাহলে অপরাধীদের পায়ে গুলি চালানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে পুলিশকে।





