বাংলা জয়ে নয়া রণনীতি বিজেপির, নির্দিষ্ট আসন সামলানোর দায়িত্ব পাচ্ছেন দাপুটে ২২ কেন্দ্রীয় নেতা!

বাকি আর মাত্র কয়েকটা দিন তারপর এই ঘোষণা হয়ে যাবে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ। তাই এখন বর্তমানে বঙ্গে রাজনীতির উত্তাপ পাহাড়চূড়ায় উঠেছে। রাজ্যে পরিবর্তনের পালা আসন্ন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। নিজেদের ক্ষমতা বজায় রাখতে একদিকে যেমন মরিয়া হয়ে উঠেছে তৃণমূল সেরকমই সোনার বাংলা গড়ে তুলতে আঁটঘাট বেঁধে মাঠে নেমে পড়েছে গেরুয়া শিবির। জনসংযোগের নিত্য নতুন পন্থা বার করে চলেছে পদ্ম শিবির যা চমকে দিচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

আরও পড়ুন – হিন্দু ধর্ম বোঝাতে এলে বিজেপির কান মুলে দিন! এ কী নিদান দিলেন মমতা?

কিন্তু সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে কলকাতা এবং তার আশেপাশের কিছু এলাকায় ১১০টি আসন নিয়ে একটু চিন্তিত রয়েছে বিজেপি শিবির। এবার আসন গুলির দায়িত্ব দেওয়া হল বিভিন্ন রাজ্যের ২২জন সাংগঠনিক নেতাকে। এই এলাকার ভোটারদের মন বোঝা এবং তাদের কাছে দলের আদর্শকে পৌঁছে দেওয়াই হলো এই সাংগঠনিক নেতাদের কাজ।

ইতিমধ্যে ভার্চুয়াল বৈঠকে ওই নেতাদের দায়িত্ব বন্টনের কথা জানিয়ে দিয়েছেন বিজেপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শিব প্রকাশ। আগামী ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি তাঁদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। এই ২২ জন নেতাদের মধ্যে রয়েছেন,নিশিকান্ত দুবে, বিনোদ শঙ্কর, বিনোদ তাওদে, ধর্মেন্দ্র প্রধান, প্রদীপ সিনহা বাঘেয়াল, বসন্ত পাণ্ডে, আর কে সিং, মঙ্গল পাণ্ডে, রমেশ বিধুরি, রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোর, নীতিন নবীন, বিনয় সহর্ষবুদ্ধি, আশিস শেহলার, রাধামোহন সিং, মদন লাল শর্মা, সতীশ উপাধ্যায়ের মতো নেতারা।

আরও পড়ুন – মমতার ইগোতেই সব শেষ, কেন্দ্র-রাজ্যের সুসম্পর্ক না থাকলে রাজ্যের উন্নতি সম্ভব নয়! দীনেশ উবাচ

গত লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে রীতিমতো চাপে ফেলে দিয়ে এই রাজ্যে আঠারোটি লোকসভা আসন দখল করেছিল বিজেপি। এবার বিধানসভা নির্বাচনে মমতাকে গো হারান হারাতে বাংলায় নিজেদের সংগঠনকে রীতিমতো শক্তিশালী করেছে গেরুয়া শিবির। সেই কারণেই ভোটের আগে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সকলেই। ঘাসফুল সরিয়ে বাংলায় ফুটবে কি পদ্মফুল? উত্তর মিলবে ভোটবাক্সে।

RELATED Articles