পূর্ববর্তী বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছিলেন লকডাউনের মেয়াদ বাড়ছে। আজ বৈঠকের পর সেই ইঙ্গিতই বাস্তবায়নের পথে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আজ লকডাউন নিয়ে বৈঠকে বসেন ১১ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। এদের মধ্যে ১০ জনই লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধিকেই সমর্থন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী ওই বৈঠকে বলেন, ‘আমাকে আগামী ২৪ ঘণ্টাই পাওয়া যাবে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা যেকোনও সময় যেকোনও পরামর্শ আমাকে দিতে পারেন।’
এদিনের ভিডিও কন্ফারেন্সে দিল্লি ও পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী লকডাউনের বাড়াতে নিজেদের মতামত প্রকাশ করেন। পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিংয়েরের পরামর্শ, লকডাউন আরও ২ সপ্তাহ অন্তত বাড়ানো উচিত। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেন, লকডাউন করলে তা দেশব্যাপী করতে হবে নাহলে সুফল পাওয়া যাবে না। আর যদি লকডাউন শিথিল করা হয়, সেক্ষেত্রে রেল সহ অন্যান্য গণপরিবহন বন্ধ রাখতে হবে।
দিল্লির পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গ, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, বিহার, ছত্তীসগড়, রাজস্থান, উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশে মুখ্যমন্ত্রীরাও লকডাউনের পক্ষেই মত দেন। একই কথা বলেন, মায়াবতী ও স্ট্যালিনের মতো নেতাও।
এদিকে, ওড়িশা ও পঞ্জাবের মতো রাজ্য কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের আগেই নিজ নিজ রাজ্যে লকডাউন বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন। নবীন পট্টনায়ক বলেন, চিনের এই ভাইরাস গোটা দুনিয়ার কাছে এখন ত্রাস। লকডাউনে কোনও আপত্তি নেই বলে কেন্দ্রকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে বিহার সরকারও।
প্রধানমন্ত্রী এদিনের বৈঠকে বলেন, “আমাদের সবাইকে এখন একত্রে লড়াই করতে হবে। কেন্দ্র সব সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছে। এই মহামারী আমাদের রুখতেই হবে। আর তা করার জন্য আমরা সব পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। এনিয়ে যে কোনও পরামর্শ আমাকে যে কোনও সময় আপনারা দিতে পারেন। আমি সবসময় আপনাদের পাশে আছি।”





