‘মরকজ নিজামুদ্দিন’ কান্ডের পর এইবার করোনা ইস্যুতে বড়সড় পদক্ষেপ নিল দিল্লির আপ সরকার। আজ এক বিবৃতিতে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানান করোনা মোকাবিলায় ৩২৮ টি ত্রাণ শিবির খুলছে তার সরকার। সেখানে থাকছে প্রায় ৫৭ হাজার লোকের খাদ্য, বাসস্থানের সুবিধা। তিনি আরও বলেন যে কেউ ইচ্ছে করলেই এই ত্রাণ কেন্দ্র গুলিতে এসে থাকতে পারেন। তাঁদের সম্পূর্ণ সুরক্ষার ব্যাবস্থা করব আমরা।
বস্তুত কদিন আগেই দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজে তবলিগি জামাত নিয়ে উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা দেশ। মুসলিমদের এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন প্রায় ৯ হাজার মানুষ। যাঁদের বেশির ভাগেরই মধ্যে থাবা বসিয়েছে COVID-19। যার জেরে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
প্রসঙ্গত দিল্লিতে নিজামুদ্দিন জমায়েতের অনুষ্ঠান চলে ১ থেকে ১৫ই মার্চ পর্যন্ত। ভারত ছাড়াও বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কা, সৌদি আরব, ইংল্যান্ড, আফগানিস্তান থেকেও প্রচুর মানুষ এই জমায়েতে অংশ নেন।
কিন্ত দেশে মহামারী আইন চালু থাকাকালীন এইভাবে এক জায়গায় হাজার হাজার লোক এনে সমাবেশের আয়োজন হয় কি ভাবে সেই নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। প্রশ্ন ওঠে দায় নেবে কে? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক না কেজরিওয়াল সরকার?
আর প্রসঙ্গত এই ঘটনার পরই দেশের সামনে মাথা ঝুঁকেছে দিল্লি সরকারের। প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা, বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। এই ঘটনার পর কার্যত আতঙ্কে গোটা দেশ। তাই হয়ত এই সময় দেশের সামনে নিজেদের ভাবমূর্তি স্বচ্ছ করার চেষ্টা করল আপ সরকার। অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক দৃষ্টান্ত রাখার চেষ্টা করছে দিল্লি।





