দেড় বছর আগেও গোটা বিশ্বের মানুষের জীবন অন্যরকম ছিল। আর এই দেড় বছরের মধ্যেই শুধু আমাদের দেশ নয়, গোটা বিশ্বের মানুষের জীবনে আমূল পরিবর্তন এসেছে। নেপথ্যে করোনা ভাইরাস। গত বছর বিশ্বজুড়ে আছড়ে পড়ে এই ভাইরাস। কোটি কোটি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এই ভাইরাসে। প্রাণহানি হয়েছে লক্ষাধিকের।
গত বছর প্রথম পর্যায়ের পর এ বছর করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আরও ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে তোলে। এই মারণ ভাইরাসে দেশে প্রথম আক্রান্ত হন ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে চীনের উহান থেকে আসা কেরালার এক মেডিক্যাল পড়ুয়া। মাসখানেক পর সুস্থ হন তিনি।
তবে ফের দুঃসংবাদ। ফের করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন সেই মেডিক্যাল ছাত্রী। সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেই ডাক্তারির ছাত্রী দিল্লি যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এই কারণে আরটি-পিসিআর পরীক্ষা করান তিনি। আর এই পরীক্ষায় তাঁর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তাঁর অ্যান্টিজেন রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তিনি উপসর্গহীন রয়েছেন। হোম আইসোলেশনেই রয়েছেন তিনি। ভাইরাসের ফলে তাঁর শরীরে অন্য কোনও প্রভাব পড়েনি বলেই জানা গিয়েছে।
গত বছর করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর তিনি এক সংবাদমাধ্যমে জানান, “তিনি কখনও ভাবেননি যে তিনি করোনা পজিটিভ হবেন। তবে তিনি সংক্রামিত হওয়ার পর তাঁর প্রথম উদ্বেগ হয়েছিল তাঁর পরিজনদের নিয়ে ও রাজ্যে ফিরে আসার পর তিনি যাঁদের সঙ্গে মেলামেশা করেছিলেন তাঁদের নিয়ে”।
উল্লেখ্য, গত বছর জানুয়ারি মাসে চীনের উহান থেকে নিজের সেমিস্টার শেষে দেশে ফেরেন কেরালার এই মেডিক্যাল পড়ুয়া। এরপর তাঁর করোনার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ২৭শে জানুয়ারি থেকে ২০শে ফেব্রুয়ারি তিনি আইসোলেশন ওয়ার্ডে ছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন যে তিনি যখন চীন ছেড়ে দেশে ফিরে আসেন, তখনও বুঝতে পারেননি যে এত বড় একটা অতিমারি অপেক্ষা করে রয়েছে।






