রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পনেরোজন। আজ রাত ১১টার পর ভারত ‘তৃতীয় পর্যায়ে’ প্রবেশ করতে চলেছে বলে হুঁশিয়ারি জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এমতাবস্থায় ১২১ কোটির এদেশে গুজব ছড়ালে তার পরিণতি কী হতে পারে তা নিশ্চয়ই বোঝা যাচ্ছে।
করোনাভাইরাস নিয়ে ভুয়ো খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেই প্রশাসন কড়া ব্যবস্থা নেবে তা আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এবার সে পথেই হাঁটল রাজ্য সরকার৷ বেলেঘাটা আইডি-র চিকিৎসক যোগীরাজ করোনা আক্রান্ত এই মর্মে শুক্রবার একটি পোস্ট ভাইরাল হয়৷ আতঙ্কিত হন সাধারণ মানুষ। এরপরই নড়চড়ে বসে প্রশাসন৷ শুক্রবার গভীর রাতে যে মহিলা ওই পোস্টটি করেছিলেন তাকে গ্রেফতার করে লালবাজার সাইবার ক্রাইম।
করোনা-আতঙ্কে মানুষের ভুল ধারণা থেকে রেহাই নেই ডাক্তারদেরও। এর আগে পঞ্চসায়রের একটি বেসরকারি হাসপাতালে করোনা রোগী মেলার পরে সেখানকার মহিলা ডাক্তারকেও তাঁরই পড়শিদের একাংশের হাতে হেনস্থা হতে হয়।রাজ্য সরকারের তরফে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে কোনো চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মী করোনা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হননি। তাঁরা সারা রাজ্যে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে নিজ নিজ দায়িত্ব নিরলস ভাবে ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে চলেছেন।
ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ ও টুইটারের মতো সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মগুলিতেই বেশি ছড়াচ্ছে এধরনের গুজব৷ বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালেই চিকিৎসা হচ্ছে করোনায় আক্রান্ত আটজনের৷ তাই অনেকেই খবরটি বিশ্বাস করেছিলেন৷ তবে স্বাস্থ্য দপ্তর খবরটি ভুয়ো বলে জানানোয় আপাতত স্বস্তিতে শহরবাসী।





