দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়েই চলেছে। ইতিমধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৪০০০ ছুঁই ছুঁই। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৭ এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৭৭ জন। এই সময় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। করানোর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এখন মানুষ ঘরবন্দী। তাই মানুষের মনও খারাপ হতে থাকছে। এই অবস্হার কথা চিন্তা করেই সবার মনোবল বাড়াতে শুক্রবার জাতির উদ্দেশ্যে মনের কথা জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
সেখানে তিনি বলেন, ‘এই বিপর্যয়ের সময় আমরা যেন নিজেদের এক বা দুর্বল না মনে করি। আমারা সবাই একসাথে থেকেই এই বিপর্যয়ের মোকাবিলা করব। আমাদের শুধু সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে বাকি মানসিকভাবে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকবো।’ সেই মতো স্থির হয় আজ অর্থাৎ ৫ই এপ্রিল রাত ৯টায় ৯ মিনিটের জন্য সারা দেশের মানুষ নিজের বাড়ির সব আলো নিভিয়ে মোমবাতি, প্রদীপ, টর্চ নইলে মোবাইলের ফ্লাশ লাইট জ্বালিয়ে নিজেদের একতাকে সারা বিশ্বের সামনে তুলে ধরবে।

প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে ৯ মিনিট ধরে সবাই একসঙ্গে অন্ধকারের মোকাবিলা করল। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং , উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের পর এবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও দেখা গেলো বাড়ির সামনে মাটির প্রদীপ জ্বালাতে। এইরকম ভাবেই সব নেতা মন্ত্রী থেকে সাধারণ মানুষ করোনার বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে সামিল হলেন।
এর আগে ২২শে মার্চ করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জনতা কার্ফুর ডাক দেন নরেন্দ্র মোদী। সেদিন তিনি অনুরোধ করেন সবাই যেন ঘন্টা ও থালা বাজিয়ে, করতালির মাধ্যমে ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ধন্যবাদ জানান। প্রতিবারই মানুষ তাঁর আহ্বানে এগিয়ে এসেছেন এবং নিজের স্বতঃস্ফূর্ততা দেখিয়েছেন। আজও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ২২ শে মার্চের মতো আজও সারা বিশ্বের সামনে একতার প্রমাণ দিয়ে নজির গড়ল ভারতবর্ষ।





