১৯৭১ সালে তৎকালীন পশ্চিম ও পূর্ব পাকিস্তানের মধ্যে হওয়া যুদ্ধে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের অবদান ইতিহাসের সোনালী পাতায় নামাঙ্কিত। ভারতীয় সেনার বীরত্বের জেরেই নাস্তানাবুদ হয় পাকিস্তানি সেনা। জন্ম নেয় বাংলাদেশ।
আর সেই অসীম বীরত্বের স্মারক হিসেবেই এই বছরকে ‘সোনালি জয়ের বছর’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান মনোজ মুকুন্দ নারভানে।
১৯৭১-এর গৌরবময় অধ্যায়ের এবার ৫০ বছর পূর্তি। তাই সারা বছর ধরেই নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদযাপন করা হবে সেই সোনালি স্মৃতি। সেনাপ্রধানের কথায়, “বহু প্রবীণ সেনাকর্মীই অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন, ১৯৭১ সালের জয়ের ৫০ বছরকে নাকি তেমন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। কিন্তু আমি দেশের সবাইকে জানিয়ে দিতে চাই, এই বছরটাকে আমরা ‘সোনালি জয়ের বছর’ হিসেবে পালন করতে চলেছি। এই উপলক্ষে দেশজুড়ে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।”
প্রসঙ্গত, এদিনই ছিল সেনার ‘ভেটেরানস ডে।’ মূলত ভারতীয় সেনার বর্ষীয়ান কর্মীদের উদ্দেশ্যে পালিত হয় দিনটি। সেই উপলক্ষেই এই ঘোষণা করলেন সেনাপ্রধান। এই নিয়ে কথা বলার সময় নারাভানে জানিয়ে দেন, সারা দেশের কাছেই গত বছরটা ছিল রীতিমতো চ্যালেঞ্জের। পরিস্থিতি কঠিন ছিল সেনার কাছেও। অতিমারীর সময়ও ভারতীয় সেনা যেভাবে নিয়ন্ত্রণরেখায় অটল ছিল তার প্রশংসায় মুখর হন তিনি।
‘৭১-এর জয়ের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ভারতীয় বায়ুসেনার প্রধান আরকেএস ভাদুড়িয়া। সেই সঙ্গে তিনি প্রশংসা করেন দেশের বর্ষীয়ান ও প্রাক্তন সেনানীদের। তাঁর মতে, আজ যে বায়ুসেনা প্রবল শক্তিশালী হয়ে উঠেছে, তা সম্ভব হয়েছে বর্ষীয়ান বায়ুসেনা কর্মীদের অবদানেই। তিনি তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
একই ভাবে নৌসেনার উন্নতির পিছনেও বর্ষীয়ানদের অবদানকে স্বীকৃতি দিয়েছেন নৌসেনার অ্যাডমিরাল করমবীর সিং।
একই ভাবে নৌসেনার উন্নতির পিছনেও বর্ষীয়ানদের অবদানকে স্বীকৃতি দিয়েছেন নৌসেনার অ্যাডমিরাল করমবীর সিং।





