দিল্লির অশান্তি পরিস্থিতি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেছিলেন তিনি। তিনি হলেন অসমের শিলচরের গুরুচরণ শীল কলেজের অতিথি অধ্যাপক তথা প্রেসিডেন্সি কলেজের প্রাক্তনী সৌরদীপ সেনগুপ্ত। তাঁর সেই পোস্টে দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে উস্কানি রয়েছে বলে অভিযোগ উঠতে শুরু করে। অবস্থা এমন জায়গায় গিয়ে দাঁড়ায় যে, তিনি পুরনো পোস্ট তুলে নিতে বাধ্য হন। এরপর সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে পোস্টের জন্য ক্ষমাও চান সৌরদীপ। কোনও ধর্মীয় ভাবাবেগে তিনি আঘাত দিতে চাননি বলে মন্তব্যও করেন। কিন্তু ততক্ষণে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়ে গিয়েছে অসমে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শিলচরের কলেজের পদার্থবিদ্যার অতিথি অধ্যাপককে গ্রেফতার করল পুলিশ।

কিন্তু এমন কী লিখেছিলেন ওই পুরনো পোস্টে! নির্দিষ্ট একটি ধর্মকে কাঠগড়ায় তুলে তিনি লিখেছিলেন, ‘ওই ধর্ম যাঁরা পালন করছেন তাঁরাই অন্য ধর্মের উপাসনা স্থলে আগুন দিচ্ছেন। বোমা মারছেন।’ আরও লিখেছিলেন, ‘আমরা একজন গণহত্যাকারীকে দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী করে এনেছি।’ এই পোস্টের পরই একদল ছাত্র তাঁর বাড়ি ঘেরাও করে ফেলে। তারপর সেখানে ওই অধ্যাপককে না পেয়ে কলেজে ফিরে আসে পড়ুয়ারা। সৌরদীপ কলেজে এলে তাঁকে ঘিরে ধরে ঘেরাও শুরু হয়। এরপরেই শিলচর পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। এই বিষয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, ‘দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত ওই অধ্যাপকের।’





