ক্ষমতায় আসার পর কেটে গিয়েছে ৯ বছর। কিন্তু মোদী ম্যাজিকে কোনও ছেদ পড়ে নি। সদ্য শেষ হওয়া চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল দেখে মনেই হয়েছে যে মানুষ মোদীতেই ভরসা রাখছেন। রাজস্থান ও ছত্তিশগড় থেকে কংগ্রেসকে উৎখাত করে গেরুয়া শিবির নিজের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করেছে। শুধুমাত্র দেশেই নয়, গোটা বিশ্বেই মোদী তুমুল জনপ্রিয়। ফের একবার জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে বিশ্বের বড় বড় নেতাদের পিছনে ফেলে শীর্ষস্থান দখল করলেন সেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীই।
কত শতাংশ ভোট পেলেন মোদী?
বিশ্বের সবথেকে বিশ্বস্ত রাষ্ট্রনেতা কে, তা জানার জন্য মার্কিন কনসাল্টেন্সি সংস্থা মর্নিং কনসাল্ট একটি বিশেষ সমীক্ষা করে। ‘গ্লোবাল লিডার অ্যাপ্রুভাল রেটিং ট্র্যাকার’ অনুযায়ী, ৭৬ শতাংশ আমজনতাই মোদীর নেতৃত্বে বিশ্বাসী। তাদের মত, ‘মোদী হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়’। ১৮ শতাংশ এই তত্ত্বে বিশ্বাসী নয়। আর ৬ শতাংশ মানুষ এই বিষয়ে কোনও মতামত দিতে রাজি হন নি।
বাকি রাষ্ট্রনেতারা কে কোন স্থানে রয়েছেন?
মোদীর পরই এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট আন্দ্রে ম্যানুয়েল লোপেজ। তিনি পেয়েছেন ৬৬ শতাংশ ভোট। ৫৮ শতাংশ ভোট পেয়ে এই তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট অ্যালেন বার্সেট। এই তালিকার অনেক পিছনে অষ্টম স্থানে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। মর্নিং কনসাল্টের জনপ্রিয়তার নিরিখে তিনি পেয়েছেন মাত্র ৩৭ শতাংশ ভোট। ৩১ শতাংশ জনপ্রিয়তা নিয়ে কানাডার জাস্টিং ট্রুডো রয়েছেন ১৩ নম্বরে। ব্রিটেনের ঋষি সুনাকের ঝুলিতে পড়েছে ২৫ শতাংশ ভোট।
https://twitter.com/MorningConsult/status/1733152744549089670
তবে এই প্রথমবার, এর আগেও একাধিকবার দেখা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ক্যারিশ্মা। শুধু দেশের মাটিতেই নয়, বিদেশেও তিনি সমানভাবে জনপ্রিয়। সম্প্রতি দুবাইয়ে শোনা গিয়েছে ‘আব কি বার, ৪০০ পার’ রব। মোদীর বিদেশ সফরকালে তাঁকে এক ঝলক দেখার জন্য হোটেলের বাইরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেন জনগণ। প্রধানমন্ত্রী মোদীও কখনও কাউকে নিরাশ করেননি। তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তাদের অভ্যর্থনা গ্রহণ করেন তিনি। আর এভাবেই বিশ্বের সব তাবড় তাবড় রাষ্ট্রনেতাদের বারবার পিছনে ফেলে সেরার সেরা হয়ে ওঠেন নমো।





