করোনা সংক্রমন রুখতে এখন দেশ জুড়ে লকডাউনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এইসময় দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এল টিম পিকে। মহামারির সংক্রমণ রুখতে এবার এই সংস্থা ‘সবকি রসোই’ নামে একটি তাদের প্রোগ্রাম চালু করেছে। টুইটারে একথা ঘোষণা করা হয়েছে।
আগামিকাল, অর্থাৎ রবিবার থেকেই দেশের ২০-২৫টি শহরে তাদের সংস্থা মানুষকে খাবার দিতে শুরু করবে। আগামী ১০দিনে পনেরো লক্ষ মানুষের খাবারের দায়িত্ব নিচ্ছে প্রশান্ত কিশোরের নেতৃত্বাধীন সংস্থা। সব রাজনৈতিক দলকে তিনি এভাবেই বুঝিয়ে দিলেন, যে রাজনীতির বাইরে গিয়েও মানুষের পাশে থাকা যায়।
https://twitter.com/IndianPAC/status/1245698254152458241
এই সংকটের সময় কোনও মানুষ যেন অনাহারে না থাকেন, এই লক্ষ্যকে বাস্তবায়িত করতেই এগিয়ে এলেন প্রশান্ত বাবু। এমনকী রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দও শুক্রবার জরুরি বৈঠক করে এই বার্তা দিয়েছেন।
বাংলায় প্রশাসনিক স্তরের পাশাপাশি শাসকদল তৃণমূলের তরফেও খাবার বিলির কাজ শুরু হয়েছে একেবারে গ্রামাঞ্চল থেকে। করোনার হাত থেকে বাঁচতে শুধু সতর্কতাই জরুরি নয় তার সাথে প্রয়োজন উপযুক্ত খাদ্যেরও । শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে পেটভরে খাওয়াই হল একমাত্র উপায়।
এই খাবার বণ্টনের কাজে প্রতিদিন যুক্ত থাকছেন প্রায় ১০০০ জন স্বেচ্ছাসেবক এবং পেশাদাররা। লকডাউনের সময় সরকারের জারি করা নির্দেশিকা মেনে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই তারা রান্না করবেন। একটি খাদ্য প্রস্তুতকারী সংস্থা নিজেদের রান্নাঘরকে সঠিক ভাবে স্যানিটাইজাড করে রান্না করবে এবং প্যাকেজিংও করবে নিয়ম মেনেই। বণ্টনের কাজেও একই বিধি প্রযোজ্য। সকলের হাতে সম্মানের সঙ্গে খাবার তুলে দেওয়া হবে তাতে যেন কোথাও কোনও ফাঁকি না থাকে এমনই কড়া নির্দেশ পিকে ‘স্যরের’। গোটা কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে ‘সবকি রসোই’ মানে সকলের রান্নাঘর।
এই আই প্যাকের যথাযথ পরীক্ষামূলক কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। তাতে হাজার হাজার মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়া হয়েছে । এবার সেই কাজই বড় করে করতে টিম চালু করা হয়েছে। টিম পিকের এই উদ্যোগে আপনারাও সামিল হতে পারেন। ৬৯০০৮৬৯০০৮ – এই নম্বরে যোগাযোগ করে আপনার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতেই পারেন।





