বাংলায় তৃতীয়বার ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার পর এবার তৃণমূলের লক্ষ্য দিল্লির মসনদ। এই কারণে নানান রাজ্যে সংগঠন তৈরি করতে চাইছে তৃণমূল। আর ত্রিপুরাকে দিয়েই সেই সূচনা করতে উদ্যত ঘাসফুল শিবির।
এই কারণে গত সপ্তাহের শেষেই ত্রিপুরায় পৌঁছন তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা ও জয়া দত্ত। তৃণমূলের সংগঠন আরও দৃঢ় করতে ও মানুষের মধ্যে তৃণমূলের জন্য উত্তেজনা বাড়াতে সে রাজ্যে হাজির হয় এই তিন নেতা। তবে আজ ত্রিপুরায় এই তিন তৃণমূল নেতা আক্রান্ত হন।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, আজ, শনিবার দুপুরে আমবাসা যাচ্ছিলেন তৃণমূল নেতারা। ওই এলাকায় কার্ফু জারি থাকায় পুলিশ তাদের পথ আটকায়। কিন্তু পুলিশি বাধা পেরিয়ে জোর করে যেতে যান তারা। এরপরই পুলিশি অত্যাচার শুরু বলে অভিযোগ।
পথে তাদের উপর চড়াও হয় একদল বিজেপি সমর্থিত দুষ্কৃতী। তাদের দিকে ছোঁড়া হয় ইট, পাথর। ভাঙচুর করা হয় গাড়ি। তৃণমূল নেতাদের অভিযোগ, বাঁশ, রড নিয়ে তাদের উপর আক্রমণ করা হয়। এই হামলায় গুরুতর জখম হয়েছেন সুদীপ রাহা। ইটের আঘাতে মাথা ফেটেছে তাঁর। রক্তাক্ত হয়েছেন জয়াও, তাঁর কানে চোট লেগেছে বলে খবর। দেবাংশুও আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর।
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক চট্টোপাধ্যায় এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন টুইটারে। তাঁর অভিযোগ, ত্রিপুরায় বিপ্লব দেব সরকারের নেতৃত্বে গুন্ডারাজ চলছে।
আরও পড়ুন- বিজেপির পরবর্তী রাজ্য সভাপতি হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে প্রভাবশালী এই বিজেপি নেতা
অন্যদিকে, তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ আগেই জানিয়েছিলেন যে তিনি যতদিন ত্রিপুরাতে ছিলেন, তখন নাকি বাইক বাহিনী তাঁর উপর নাগাড়ে নজর রাখত। তিনি যেখানেই যেতেন, সেখানেই সেই বাইক বাহিনী দেখতেন। আজকের এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে কুণাল বলেন, আক্রান্ত তৃণমূল নেতাদের পাশে দাঁড়াতে ও এই প্রতিবাদকে আরও দৃঢ় করতে তিনি রবিবার ফের ত্রিপুরায় যাবেন।





