আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় এই মুহূর্তে উত্তাল গোটা রাজ্য। নানানদিকে চলছে প্রতিবাদ-আন্দোলন। নারীদের সুরক্ষা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। তবে মহিলাদের নিরাপত্তা যে কোথাওই নেই, তা ফের প্রমাণিত। এবার ধর্ষণের শিকার এল মহিলা পুলিশ কর্মী।
জানা গিয়েছে, গত সোমবার রাতে ডিউটি থেকে ফিরছিলেন এক মহিলা পুলিশ কনস্টেবল। বয়স আনুমানিক ৩৭ বছর। সেদিন করবা চৌথ থাকায় বেশ তাড়াহুড়োর মধ্যেই ছিলেন তিনি। শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছিলেন। থানা থেকে বেরিয়ে কিছুদূর যেতেই এক প্রতিবেশী যুবকের সঙ্গে দেখা হয় তাঁর।
সেই যুবক ওই মহিলা পুলিশ কর্মীকে জানান, তিনিও বাড়িই যাচ্ছেন। মহিলা পুলিশকর্মীকে তারা বাইকে উঠতে বলেন তিনি। বেশ তাড়াহুড়ো থাকায় আর পূর্বপরিচিত হওয়ায় ওই যুবককে বিশ্বাস করে তাঁর বাইকে ওঠেন ওই মহিলা। কিন্তু সেই বিশ্বাসের দাম যে তাঁকে এভাবে দিতে হবে, তা তিনি কল্পনাও করতে পারেন নি।
মহিলার অভিযোগ, ওই যুবক আচমকাই বাইক ঘুরিয়ে একটি ফাঁকা চাষের জমির মধ্যে ঢুকে পড়ে। সেখানেই মহিলা পুলিশকর্মীর উপর পাশবিক অত্যাচার চালায় সে। নিজেকে বাঁচাতে ওই মহিলা পুলিশকর্মী ওই জুবকে হাতে কামড়ে দিলেও ছাড়া পান নি তিনি।
ওই যুবক ধর্ষণের পর ওই অবস্থাতেই মহিলাকে সেখানে ফেলে পালিয়ে যায়। মহিলা পুলিশ কর্মী কোনওরকমে বাড়িতে সেকথা জানায়। এরপর থানায় অভিযোগ জানান তিনি। অভিযোগ পেয়েই তৎপর হয় পুলিশ। ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের কানপুরে।
আরও পড়ুনঃ ‘লোক দেখানো আন্দোলন করছেন, বিচারের অপেক্ষায় আছি…’, আর জি কর কাণ্ডের প্রতিবাদকে কটাক্ষ দিলীপের, কী জানালেন তিনি?
এই ঘটনার জেরে যোগীরাজ্যে মহিলাদের সুরক্ষা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। পুলিশ কর্মীই ধর্ষণের শিকার হওয়ার কারণে সে রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসন প্রশ্নের মুখে পড়েছে। তবে যোগী সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, বিগত কয়েক বছরে রেকর্ড মামলা দায়ের ও সেই মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেফতার ও শাস্তি দিয়ে মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করেছে যোগী প্রশাসন। এক্ষেত্রেও তেমনই হবে।





