অবশেষে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। আর জি করের ঘটনার ২৬ দিনের মাথায় তাঁকে গ্রেফতার করল পুলিশ। জানা গিয়েছে, সিবিআইয়ের দুর্নীতি দমন শাখা গ্রেফতার করেছে সন্দীপকে। এই খবর শুনে লালবাজার অভিযানে থাকা জুনিয়র চিকিৎসকদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি।
আর জি করে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনার পর থেকেই আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন চিকিৎসকরা। সন্দীপ ঘোষ অধ্যক্ষ পদ থেকে ইস্তফা দিলেও সেদিনই তাঁকে বহাল করা হয় ন্যাশানাল মেডিক্যাল কলেজে। যা নিয়ে তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
আর জি করের ঘটনার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে যাওয়ার থেকেই টানা ১৬ দিন সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিয়েছেন সন্দীপ ঘোষ। তাঁর বিরুদ্ধে আর জি করের আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। লাশ পাচার থেকে শুরু করে মেডিক্যাল বর্জ্য দুর্নীতি, টাকা নিয়ে পাশ করানোর অভিযোগ ইথে সন্দীপের বিরুদ্ধে। অভিযোগ করেন আখতার আলি।
এই ঘটনার তদন্তভারও যায় সিবিআইয়ের উপর। গত সপ্তাহেই সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে তল্লাশি চালায় সিবিআই। আজ, সোমবার সন্ধ্যেবেলা তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্স থেকে নিজাম প্যালেসে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপরই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।
সন্দীপের গ্রেফতারির ঘটনার বেশ খুশি আন্দোলনরত চিকিৎসকরা। তাদের কথায়, স্বাস্থ্য ভবন যেটা পারে নি, সেটা সিবিআই করেছে। সিবিআইয়ের দুর্নীতি দমন শাখা গ্রেফতার করেছে সন্দীপকে। আর জি করের আর্থিক দুর্নীতির ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। তবে আন্দোলনকারীদের কথায়, আসল প্রতিবাদ থেকে সরে গেলে চলবে না। আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের ন্যায় বিচার পেতেই হবে, তা না হলে তারা প্রতিবাদ চালিয়ে যাবেন।





