খাতা না দেখেই দেওয়া হয়েছে নম্বর, ফের তুমুল বিতর্কের মুখে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, বিক্ষোভ পড়ুয়াদের

একের পর এক বিতর্কের মুখে বারবার পড়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। কখনও পড়ুয়াদের র‍্যাগিং, কখনও বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশ তো কখনও আবার অন্যান্য কারণ, নানান সময় নানান বিতর্ক দেখেছে কলকাতার এই অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়। এবার ফের একবার শিরোনামে যাদবপুর। খাতা না দেখেই নম্বর দেওয়ার অভিযোগ উঠল এই বিশ্ববিদ্যালয়ে।

সাংবাদিকতা বিভাগের পরীক্ষার খাতা দেখা নিয়ে গরমিলের অভিযোগ উঠেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। সাংবাদিকতা বিভাগের স্নাতকোত্তর দ্বিতীয় সেমেস্টারের প্রায় ৫০ জন পড়ুয়ার খাতা না দেখেই নম্বর বসানো হয়েছে বলে দাবী। মিডিয়া এথিক্স ও ল’ পেপারের পরীক্ষার খাতায় হয়েছে এই গরমিল।

এই কারণে একাধিক পড়ুয়া অকৃতকার্য হয়েছেন বলে অভিযোগ। এই গরমিলের বিষয়টি ধরা পড়ে যখন অকৃতকার্য পড়ুয়ারা খাতা পুনর্মূল্যায়নের জন্য দিয়েছিলেন। এমন ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগে তুমুল হইচই পড়ে। বিক্ষোভ দেখান পড়ুয়ারা। এই নিয়ে উপাচার্যের কাছে জমা পড়েছে ডেপুটেশন। পুনর্মূল্যায়ন থেকে ফলপ্রকাশ সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনাটি কিছুদিন আগে হলেও এখন তা প্রকাশ্যে এসেছে।

এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিরাময় সাত্যকি ভট্টাচার্য বলেন, “ছাত্ররা রিভিউয়ের আবেদন করার পর আমার নজরে আসে। বহু খাতায় কিছু ত্রুটি চোখে পড়ে। এরপর আমি ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যকে বিষয়টি জানাই। বিভাগীয় প্রধানের নজরে আনি”।

আরও পড়ুনঃ ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সরিয়ে নির্বাচনে জিতে দেখাক, তাহলে বুঝব’, নাম না করেই হুমায়ুন কবীরকে কটাক্ষ ফিরহাদের, তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে!

অন্যদিকে, এই ঘটনায় বিভাগীয় প্রধান পার্থসারথি চক্রবর্তীর দাবী, “ঘটনাটি জানতে পেরেছি। গুরুতর অভিযোগ। উপাচার্য নিজে দেখছেন। উপযুক্ত পদক্ষেপ অবশ্যই হবে। গাফিলতি তো ছিলই, না হলে এভাবে অভিযোগ উঠবে কেন! খুবই খারাপ বিষয়”।

এই ঘটনায় ভুক্তভোগী এক পড়ুয়ার কথায়, “আমরাও বিষয়টি বুঝতে পারিনি। বিভিন্ন জায়গা থেকে জানতে পারি। অভিযোগ করেছি। এভাবে অনেকেই ভুক্তভোগী। বহু বন্ধু সাপ্লি পেয়েছে। রিভিউয়ের আবেদন করেছি। কর্তৃপক্ষ আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, বিষয়টি নিয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ করবেন”।

RELATED Articles