বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়কে ফোন ঘোরালেন অগ্নিমিত্রা! জল্পনা রাজনৈতিক মহলে

তৃণমূল প্রার্থী তথা অভিনেত্রী সায়নী ঘোষের সঙ্গে তীব্র লড়াইয়ে জয় ছিনিয়ে এনেছিলেন বিজেপি নেত্রী তথা ফ্যাশন ডিজাইনার অগ্নিমিত্রা পল। গোটা রাজ্যে বিশেষ ভালো ফল করতে না পারলেও অগ্নিমিত্রার হাত ধরে আসানসোল দক্ষিণ হস্তগত হয় বিজেপির। আর বিধানসভায় বিধায়ক পদে শপথ নিয়েই স্পষ্টবাদী বিজেপি নেত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, বাংলায় মেয়েদের সম্মান-অধিকার রক্ষার্থে লড়াই চালিয়ে যাবেন তিনি।

আরও পড়ুন- করোনা নিয়ে নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের! এবার সমস্ত হাসপাতালেই ‘র‍্যাট’ পদ্ধতিতে হবে করোনা পরীক্ষা

আর সেই কারণেই এবার অগ্নিমিত্রার ফোন গেল বন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কাছে।

জানা গিয়েছে, গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার বিকেলে জ্যোতিপ্রিয়কে ফোন করে বহু মহিলা কর্মীর ঘর ছেড়ে চলে যাওয়ার অভিযোগ জানান তিনি। তিনি জানান, ‘হাড়োয়া ও হিঙ্গলগঞ্জে বিজেপির বহু মহিলা কর্মী ঘরছাড়া। তাঁদের ঘরে ফেরানোর ব্যবস্থা করুন।’ 

আর অগ্নিমিত্রার ফোন পেয়েই তড়িঘড়ি হাড়োয়া ও হিঙ্গলগঞ্জের দলীয় নেতৃত্বকে জ্যোতিপ্রিয় নির্দেশ দেন, অতিসত্বর ঘরে ফেরাতে হবে এলাকার বিজেপি কর্মীদের।

বিধানসভায় প্রথমবারের মতো বিধায়ক পদে শপথ নিয়েই অগ্নিমিত্রা বলেছিলেন, ‘মহিলাদের উপর অত্যাচার রুখতে আমি কথা বলব। আমি জিতেছি অনেক লড়াই করে। আমার এলাকায় কোনও রকম হিংসা অশান্তি হতে দেব না।’ আর তার পরপরই তার এই পদক্ষেপ যথেষ্ট প্রশংসনীয় বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুন- রাজনীতির জট, আবার‌ও কী ভোটগণনা হবে বাংলায়?

জ্যোতিপ্রিয় এই প্রথম খাদ্য মন্ত্রীর দায়িত্ব ছেড়ে বন মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। এতদিন এই পদে ছিলেন সদ্য-প্রাক্তন তৃণমূল নেতা তথা অধুনা বিজেপি নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন সভা থেকে তাঁর আমলে বন সহায়ক পদে বিপুল দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন। সেই দফতরের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে জ্যোতিপ্রিয়’র বক্তব্য, ‘আমি মনে করি নিয়োগে স্বচ্ছতা আনা দরকার। তাই নিয়োগ করার ক্ষেত্রে দফতর নিজের হাতে না রেখে কোনও একটা সার্ভিস কমিশনকে এর দায়িত্ব নিক।’ সূত্রের খবর, রাজ্য চাইছে এই নিয়োগ হোক পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে।

আরও অন্যান্য খবর