Abhijit Ganguly slammed media: গতকাল ২৫ মে ছিল লোকসভা নির্বাচনের ষষ্ঠ দফার ভোট। এদিন রাজ্যের আট কেন্দ্রে ভোট ছিল যার মধ্যে ছিল তমলুক। তমলুকের এবারের বিজেপি প্রার্থী প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। এদিন ভোটের শুরু থেকেই তিনি রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে গিয়েছেন। আর এবার ভোট শেষে তাঁর রোষের মুখে সংবাদমাধ্যমও (Abhijit Ganguly slammed media)। এক জনপ্রিয় চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় সাংবাদিকের উদ্দেশে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “আপনারা ভাইপোর চামচাগিরি করছেন”।
ষষ্ঠ দফার ভোটে রাজ্য পুলিশের উপর ক্ষোভ উগড়ে দেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। তাঁর দাবী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অঙ্গুলিহেলনে কাজ করেছে পুলিশ। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বেজায় ক্ষিপ্ত তিনি। এদিন সকাল থেকেই বুথে বুথে ঘুরেছেন অভিজিৎ। তাঁর কথায়, অভিষেকের নির্দেশেই বিজেপি নেতা-কর্মীদের উপর অত্যাচার করা হয়েছে। এবার তাঁর নিশানায় সংবাদমাধ্যমও (Abhijit Ganguly slammed media)।
গতকাল, শনিবার ভোট শেষে এক জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। তিনি তখন বলেন, “ভোট মোটের ওপর ভাল হয়েছে। তবে আমি পুলিশের ভূমিকায় সন্তুষ্ট নই। আমি ক্ষুব্ধ এবং ক্রুদ্ধ”। তাঁর অভিযোগ, পুলিশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দালাল হিসেবে কাজ করছে। সপ্তম অর্থাৎ শেষ দফার ভোটে এই ব্যবস্থা কেন্দ্রীয় সরকারের নেওয়া দরকার বলে দাবী করেন তিনি (Abhijit Ganguly slammed media)।
এদিন সাংবাদিক তাঁকে প্রশ্ন করেন, তিনি যা বলছেন সেসবের কোনও সাংবিধানিক নিয়ম রয়েছে কী না। অভিজিতের (Abhijit Ganguly) কথায়, ভোটের আবহে রাজ্যের আইন ব্যবস্থা নির্বাচন কমিশনের উপর থাকে। বেশ কটাক্ষ করেই অভিজিৎ বলেন, “সবকিছুর জন্য সংবিধান লাগে? আপনি যে মাইনে পান তার সাংবিধানিক নিয়ম আছে নাকি? খুব ভুল ধারণা। এই ধারণা নিয়ে সাংবাদিকতা করবেন না” (Abhijit Ganguly slammed media)।
ভোট পর্বে কী তাহলে তিনি অসন্তুষ্ট? সেই প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়েই সংবাদমাধ্যমকে বিঁধলেন অভিজিৎ (Abhijit Ganguly)। বললেন, “সব সময় বিনম্রভাবে কথা বলার অর্থ আপনাদের মতো ভাইপোর চামচাগিরি করা নয়। আপনারা যখন-তখন চামচাগিরি করবেন আর আমরা মাথা ঠান্ডা করে উত্তর দিয়ে যাব, এটা ভাববেন না” (Abhijit Ganguly slammed media)। তিনি এত বড় দাবীও করেন যে সাংবাদিকরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে টাকা পান।





