কাটল অচলাবস্থা! রাজ্যপালের সৌজন্যতায় সন্তুষ্ট অভিষেক, আপাতত ধর্না প্রত্যাহারের ঘোষণা, উত্তর না মিললে ফের ধর্নায় বসার হুঁশিয়ারি

অবশেষে আজ, সোমবার বিকেলে রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। সেখান থেকে ফের ধর্না মঞ্চে গিয়ে বসেন অভিষেক। এরপর সেখান থেকেই কথা বলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের বর্ষীয়ান নেতৃত্বের সঙ্গে।

তৃণমূল নেতৃত্বের মতে, রাজ্যপাল যেহেতু সৌজন্য দেখিয়েছেন, সেই কারণে তৃণমূলেরও উচিত তাঁকে সৌজন্য দেখানো। সেই কারণেই আপাতত ধর্না প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেন অভিষেক। তবে তিনি এও স্পষ্ট করে দেন যে কেন্দ্র যদি দাবী না মানে, তাহলে আগামী ১ নভেম্বর থেকে ফের ধর্নায় বসবে ঘাসফুল শিবির।

কী বললেন এদিন অভিষেক?

রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করা নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “রাজ্যপাল বলেছিলেন ‘ঘেরাও নয়, ঘরে আসুন’। আমি বলেছিলাম, উনি তো নিজেই ঘরে নেই। আমারে ঘরে ডাকছেন। আমি কার সঙ্গে দেখা করতে যাব? যাই হোক, চার-পাঁচ দিন পর গতকাল বাংলার রাজ্যপাল ঘরে ফিরেছেন। তিনি বিমানবন্দরে নামার পর বলেছিলেন, তাঁর থেকে কোনও সময় চাওয়া হয়নি। কিন্তু আমরা সময় চেয়েছিলাম। পরবর্তীতে রাতের দিকে রাজ্যপালের অফিস থেকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ৯টা ৫০ মিনিটে ফোন করে বলা হয়, ১০টার সময় চলে আসতে। সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ধরনা চলার পর সবাই বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন। পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে আমরা এভাবে যেতে পারি না। আমি অনুরোধ করেছিলাম, আজ রাজ্যপালের সুবিধা মতো যে কোনও একটি সময় আমাদের দেওয়ার জন্য”।

এদিন ধর্না মঞ্চে ফিরে এসে অভিষেক বলেন, কেন্দ্রকে তিনি ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন। ১০০ দিনের কাজ ও আবাস যোজনার বকেয়া টাকা কেন্দ্র কবে দেবে, তা জানানোর জন্য কেন্দ্রকে সময় বেঁধে দিয়েছেন তিনি।

অভিষেকের কথায়, “রাজ্যপালকে আমি বলি আপনি ১ সপ্তাহ সময় নিন, ২ সপ্তাহ সময় নিন। কেন্দ্রের কাছে জানুন কেন টাকা বন্ধ। টাকা আটকে রাখতে পারেন না। আমরা সৌজন্য রক্ষা করেছি। ২ বছর সময় দিয়েছি। ২ সপ্তাহ আরও সময় দেব। আমাদের জানতে হবে, লিখিত চাই কোন আইনে টাকা আটকে”।

RELATED Articles