বুধবার মুখ্যমন্ত্রী নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিনই ঘটে যায় বিপত্তি। মন্দিরে দর্শনে গিয়ে গুরুতর জখম হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেদিনই দ্রুত কলকাতা ফিরে এসে তাঁকে ভর্তি করা হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। আর এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক পারদ চড়ছে ক্রমশ। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি পথসভার সময় বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের মধ্যে চলে আসায় ঠেলাঠেলির মাঝে মুখ্যমন্ত্রীর পায়ে আঘাত লাগে। বুধবার রাত থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের অবরোধ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি।
অন্যদিকে বিরোধীরা বলছেন ‘নাটক করছেন মমতা’। মুখ্যমন্ত্রীর জেড প্লাস সুরক্ষা থাকা সত্ত্বেও কিভাবে এমন ঘটনা ঘটল সেই বিষয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিজেপির নেতৃত্বরা। বিজেপির দাবি রাজনৈতিক কারণ নয় নেহাত মানবতার খাতিরেই হোক এই তদন্ত। তবে একজনের শারীরিক অসুস্থতা বা আহত হওয়ার ঘটনায় গুরুতর তদন্ত করা কি শোভা দেয়?
নিঃসন্দেহে এই বিষয়ে তদন্ত করতে বলার পিছনে রাজনৈতিক কারণ রয়েছে। নির্বাচনের ঠিক আগেই এই ধরণের ঘটনায় ঘিরে উত্তাল হয়েছে বঙ্গ রাজনীতি। শাসক–বিরোধী দুই শিবিরের মধ্যে তরজা শুরু হয়েছে। বিরোধী দলগুলো মুখ্যমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেও শ্লেষ বাক্য প্রয়োগ করেছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রীতিমতো রাজ্য বিজেপিকে হুঁশিয়ারি ছুঁড়ে দেন।





