সাতসকালে ভরা বাজারে ধারালো অস্ত্র দিয়ে একের পর এক কোপ মারা হচ্ছে এক ব্যক্তির গলায়। যিনি মারছেন তিনি রীতিমতো অপ্রকৃতিস্থ, তাকে ধরতে গেলেই ধারালো অস্ত্র নিয়ে তেড়ে আসছেন সাধারণ মানুষের দিকে। এরকম ঘটনা সাধারণত সিনেমায় দেখা যায় কিন্তু বাস্তবে বুধবার সকালে দক্ষিণ ২৪ পরগণার বিষ্ণুপুর থানার পৈলান ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর এমনই ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছে। গ্রেফতার করা হয়েছে ওই হামলাকারীকে।
ঠিক কী ঘটেছিল আজ সকালে?
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ওই হামলাকারী সকালবেলায় পৈলান বাজারে একটি চায়ের দোকানের সামনে আসে এবং হঠাৎ ধারালো অস্ত্র নিয়ে সকলের উপর চড়াও হতে যায়। চায়ের দোকানদার তাকে তাড়া করে সে দৌড়ে পৈলান-জোকা অটো স্ট্যান্ডের সামনে চলে আসে। সেই সময় সেলুন মালিক দীপক মান্না কাছাকাছি এলাকায় রেশন আনতে গিয়েছিলেন তার উপর অতর্কিত ভাবে আঘাত হানে ওই হামলাকারী। তার গলার নলির উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে। কোনোমতে বাঁচিয়ে দীপকবাবু একটি চায়ের দোকানে আশ্রয় নেন। দীপক বাবুর পিছনে দৌড়ে আসে সেই হামলাকারী। ওই চায়ের দোকানে এসে উপস্থিত বাকি মানুষদের উপর আঘাত হানতে যায় হামলাকারী। প্রত্যক্ষদর্শীরা প্রথমে অদৃশ্য দেখে কিছুক্ষণের জন হতচকিত হয়ে যান তারপরে সম্বিত ফিরতেই ওই হামলাকারীর ওপর চড়াও হন তাঁরা। হামলাকারী মাটিতে পড়ে যেতেই তাকে বেঁধে ফেলা হয়। তারপর পুলিশের কাছে খবর যায় এবং পুলিশ এসে তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।
স্থানীয় মানুষজন প্রথমে আক্রান্ত ওই সেলুন মালিককে উদ্ধার করে আমতলা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু চিকিৎসকরা তাঁর অবস্থার অবনতি দেখে তাঁকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করছেন। এমনিতেই লকডাউন এর জেরে থমকে রয়েছে গোটা এলাকা। সোমবার থেকে সবে বাজারে লোকজন ধীরে ধীরে জড়ো হতে শুরু করেছিলেন। তার মধ্যেই আচমকা এরকম একটা ঘটনায় কার্যত আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন সবাই। কেউ এই ঘটনার কোন যুক্তিসঙ্গত কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না।
ওই হামলাকারী কে, সে কেন এরকম হামলা করল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। হামলাকারী মানসিক ভারসাম্যহীন কিনা তাও পরীক্ষা করে দেখা হবে।





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!