‘দিলীপদা মনের আনন্দে অনেক কিছুই বলে দেন’, সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি দিলীপকে ঠুকলেন বাবুল

সদ্য তিনি নিজের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্বের পদ হারিয়েছেন। এখন তিনি শুধুই সাংসদ। এ নিয়ে দুঃখও পেয়েছেন বিস্তর। যেদিন তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দিলেন, সেদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন, “আমাকে ইস্তফা দিতে বলা হয়েছে”। এরপর সেই পোস্ট শুধরে আবার লেখেন “ইস্তফা দিতে বলা হয়েছে কথাটা হয়ত এভাবে ব্যবহার করা ঠিক নয়”।

তবে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্রের অপ্রিয় হয়ে উঠেছেন তিনি। তাঁর নানান কাজকর্মে অখুশি কেন্দ্র। এই কারণেই মোদীর মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়লেন তিনি। আর এবার এই নিয়ে আজ, শনিবার একটি অভিমানে ভরা পোস্ট করলেন বাবুল।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে ঠুকে এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন বাবুল। লেখেন, “দিলীপদা আনন্দ পেয়েছেন এতেই আমি আনন্দিত। রাজ্য সভাপতি হিসাবে মনের আনন্দে দিলীপ দা অনেক কিছুই বলেন। আবারও বললেন, আমি শুনলাম। কিন্তু এই উক্তি কেন করলেন সেটা যদি এবারকার জন্য আমি স্বজ্ঞানে বুঝেও না বুঝি তো ক্ষতি কী?‌ এটাই আমার প্রতিক্রিয়া!”

আরও পড়ুন- মুকুল রায়কে পিএসির চেয়ারম্যান করায় চূড়ান্ত অসন্তোষ গেরুয়া শিবিরে, রাজ্যপালের কাছে নালিশ

তাঁর এই পোস্ট করার মাধ্যমেই বাবুল কার্যত বুঝিয়ে দিলেন যে দিলীপ ঘোষ নিজের মতো করে অনেক কিছুই বলতে পারেন, মন্তব্য করতে পারেন, কিন্তু আদতেও বাবুল কোনও আমল দেন না। অন্তত, রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা এমনটাই মনে করছেন।

কিন্তু ঠিক কী বলেছেন দিলীপ ঘোষ?

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্ব থেকে বাবুল সুপ্রিয় ইস্তফা দেওয়ার পর দিলীপ ঘোষ বাবুল প্রসঙ্গে বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর অনেক ধমক খেতে হতো রোজ। মন্ত্রী থাকাকালীন তাঁকে কম গালমন্দ করেননি মুখ্যমন্ত্রী এবং অন্যান্যরা। এখন হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছে বাবুল”।‌

রাজ্য সভাপতির এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই আজ টুইট করে পাল্টা জবাব দিয়েছেন সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। টুইটে তিনি আরও লেখেন, “আমার হাঁফ ছেড়ে বাঁচাতে দিলীপ দা আনন্দ পেয়েছেন এতেই আমি আনন্দিত!‌ উনি রাজ্য সভাপতি–সবার শ্রদ্ধার পাত্র। আমিও আন্তরিক শ্রদ্ধা জানালাম প্রিয় দিলীপদাকে”। এই বাবুলের এই পোস্ট যে বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্বকেই আরও বেশি করে প্রকট করল, তা বেশ স্পষ্ট।

আরও অন্যান্য খবর