বিজেপির প্রদেশ অধ্যক্ষ দিলীপ ঘোষ নাম না নিয়েই বলেন, ‘বিজেপির বৃদ্ধিতে যাঁদের কোনও অবদান নেই, তাঁরা যেতে পারেন।’
আরও পড়ুন- ‘মস্তক মুণ্ডন করে পাপ খণ্ডাব’, মুকুল বিদায়ে প্রথম প্রতিক্রিয়া সৌমিত্র খাঁর
মুকুল রায়ের দিকে আক্রমণ শানিয়েছেন একদা তৃণমূল ও এখন বিজেপিতে তাঁর প্রাক্তনী, সৌমিত্র খাঁ এবং অর্জুন সিং। বিজেপি সাংসদ মুকুল রায়কে চাণক্য নয়, মীরাজাফর বলে তীব্র তোপ দেগেছেন। তাঁর দাবি, যে নিজের ছেলেকে জেতাতে পারে না। সে দলকে জেতাবে কি করে! শুধু সৌমিত্র একা নয়, মুকুল রায়কে তীব্র আক্রমণ করেছেন ব্যারাকপুরের সাংসদও। অর্জুনের তোপ, আমি সব সময় বলতাম ওই লোকটা দলে ক্ষতি করছে। যে দলে থাকে সে দলের ক্ষতি করে। বিজেপিতে থেকেও ক্ষতি করেছেন উনি।
মুকুল রায়ের এই দলত্যাগে তাঁকে বিঁধতে ছাড়েননি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়ও! বিজেপি ছাড়তেই মুকুল রায়কে ‘গভীর জলের মাছ’ বলে কটাক্ষ করেন আসানসোলের বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। তাঁর কটাক্ষ, ব্যাডমিন্টনের শাটল ককের মতো এদিক-ওদিক করারও তো বয়স আছে!
আরও পড়ুন- তৃণমূলের রাজ্যসভার সংসদ পদে বসতে চলেছেন মুকুল রায়
টুইটারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী লিখেছেন, ‘আচ্ছা বলুন তো, রাজনৈতিক নেতাদের মানুষ অপছন্দ কেনও করবে না? কোনও রাজনৈতিক নেতার থেকে ‘নৈতিক’ কিছু মানুষ আর আশা করে না। তাদের দোষও দেব না। দলও অনেকেই বদলায়, সেটাও ঠিক আছে। কিন্তু ব্যাডমিন্টনের শাটলের মতো এদিক ওদিক করার একটা বয়সও তো আছে। আত্মসম্মান ব্যাপারটা না হয় ছেড়েই দিলাম..’।
এরপর বাবুল সুপ্রিয় আরও লেখেন, ‘যাই হোক, মুকুলদা যে ধরণের ঘোলাজলে সাঁতার কাটতে ভালোবাসেন আর ‘গভীর জলের মাছ’ ধরেন, সেখানেই খুশি মনে ফিরে গেছেন এটা বেশ ভালোই হয়েছে!’





