হুমকি আগেও এসেছে। তবে এবার গত ৫ই এপ্রিল ২০২০ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধ মতো আলো না নেভানোয় শাস্তির মুখে পড়তে হলো বাংলা পক্ষর সদস্য সুমন কারককে।
অভিযোগ, গতকাল রাত ১০টা নাগাদ বাড়ির বাইরে বেরোতেই বাঁকুড়া বাংলা পক্ষর সদস্য সুমন কারককে মেরে মাথা ফাটিয়ে রক্তাক্ত করে দেয় বিজেপির কিছু কর্মী সমর্থক। শুধু তাই নয় অভিযোগ তাঁর মায়ের ওপর চড়াও হয় অভিযুক্তদের বাড়ির মহিলারা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে স্থানীয় থানার পুলিশ।
চিকিৎসার জন্য সুমনকে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, তার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় থানায়। সারারাত তাঁকে থানায় আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ বাঁকুড়া সদর থানার পুলিশের বিরুদ্ধে। আজ সকাল ১১ টা নাগাদ নাকি তাঁকে ছাড়ার সময় বন্ডে সই করায় পুলিশ, ১০০০ টাকা দাবিও করে বলে অভিযোগ৷ সুমন কারক নিজেই যেখানে আক্রান্ত, সেখানে পুলিশ নাকি এফ আই আর করতেও বারন করে বলে জানা গেছে। সুমন বাংলা পক্ষকে সমর্থন করায় এবং বিজেপি বিরোধিতা করার জন্য বারবার মারার হুমকি দিত স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব, এমনই অভিযোগ সুমনের। এবার ৫ তারিখ আলো নিভিয়ে মোমবাতি না জ্বালানোয় নেমে এল আক্রমণ।
সুমন কারক জানান ‘আমি লকডাউনে সারাক্ষণ বাড়িতেই থাকি। কাল রাত ১০টা নাগাদ বাড়ি থেকে একটু বেরোতেই আমার সাথে দেখা হয় বিজেপির কয়েকজনের। তারপর আমায় ঘিরে ধরে, নানা হুমকি দেয়। তারপরই আমায় মেরে মাথা ফাটিয়ে দিল। আমার মাকেও মেরেছে। আমায় মেরেছে বিশ্বজিৎ মিশ্র, জগন্নাথ রায়ের দু ছেলে এবং বুলেট। কিন্তু, পুলিশ একটুও সহযোগিতা করেনি। আমায় সারারাত বাঁকুড়া সদর থানায় আটকে রাখা হয়। সকাল ১১টায় ছাড়ার সময় আমায় বেল বন্ডে সই করতে বলে এবং ১০০০ টাকা চায় পুলিশ।’ এই ঘটনার পরে স্বভাবতই এলাকায় চাপা উত্তেজনা রয়েছে।





