ভারতে করোনার প্রভাব বেড়েই চলেছে। ২৪শে মার্চ মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছে দেশব্যাপী লকডাউন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সবাইকে অনুরোধ করেছেন যে, কেউ যেন জরুরি কাজ ছাড়া বাড়ি থেকে বাইরে না বের হন। করোনা থেকে বাঁচার একমাত্র রাস্তা হলো সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। পাশাপাশি সরকারের তরফ থেকে মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সংক্রমনের শুরুর দিকে বলা হয়েছিল শুধু সংক্রামিত ব্যক্তিই মাস্ক ব্যবহার করবেন, বাকিদের জন্য বাধ্যতামূলক নয়। এরপর সংক্রমন বাড়তে থাকায় সরকারের মাস্ক পড়ার কড়াকড়িতে এখন সবাই দোকানে মাস্ক কিনতে যাচ্ছেন। কিন্তু মাস্ক এর যোগান এখন বাজারে নেই।
এই পরিস্থিতিতে অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখালেন নারীশক্তি। তাঁরা ৫০ হাজার মাস্ক তৈরি করে নজির গড়লেন। মাস্ক তৈরি করতে এগিয়ে এসেছিলেন বিজেপির মহিলা মোর্চা। মোর্চার সভানেত্রী ও সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘মহিলা মোর্চার জেলা, মণ্ডল সহ সর্বস্তরের কর্মীরা এই ৫০ হাজার মাস্ক তৈরি করে দুঃস্থদের মধ্যে বিতরণ করেছেন, খাবার প্যাকেটও দিয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘করোনার এই সঙ্কটের মুহূর্তে মেয়েদের কিছু করে দেখাবার সুযোগ এসেছে। মেয়েদের মধ্যে যে অসম্ভবকে সম্ভব করার শক্তি আছে তা আজ প্রমাণিত হলো। দেশ যখন কোন সঙ্কটে পড়েছে সবার আগে মেয়েরা এগিয়ে এসেছে । সেই ধারা বজায় রেখে আমাদের মহিলা মোর্চার মেয়েরা দুর্দান্ত কাজ করেছে। আমি বাংলার মা বোনেদের কাছে আবেদন করছি, আপনারা যখনই ফাঁকা সময়টুকু পাবেন, বাড়িতে বসে মাস্ক তৈরি করুন, দুঃস্থ মানুষের প্রয়োজনে আসবে।”
এই মাস্ক পেয়ে অনেক মানুষ উপকৃত হয়েছেন। একে বাজারে মাস্কের যোগান নেই তারপর কোথাও কোথাও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে মাস্ক। লকডাউনের ফলে দিনমজুরদের পকেটে খাবারের অর্থ আসে না আবার মাস্ক কথা থেকে আনবেন? তাই তারা এই মাস্ক পেয়ে আজ সত্যি খুব খুশী।





