পশ্চিমবঙ্গে বিশ্বকর্মা পুজোর আগমনের সঙ্গে সঙ্গেই ভেসে ওঠে উৎসবের আগমনী বার্তা। প্রথমে আসে বাঙালির প্রাণের উৎসব দুর্গাপূজা এবং তার কয়েকদিন পরেই গোটা বাংলা মেতে ওঠে আলোক উৎসবে। এই বছর যেভাবে অন্ধকারে ডুবে ছিল গোটা বিশ্ব সেই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে বর্তমানে কালীপুজো এবং দিওয়ালি পালন করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে বাঙালি। অন্ধকারকে সরিয়ে আলোর মেলায় গোটা জগতকে মুড়ে দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করছে বাঙালি।
আগামীকাল কালীপুজো এবং পরশুদিন দিওয়ালি। বাঙালি এখন সবেতেই মেতে ওঠে তাই এই বছর ভিন্ন ধরনের আলো কিনে বাড়ি সাজাবার উৎসাহটা চোখে পড়ার মতো। ইলেকট্রনিক্স এর দোকানে এবং রাস্তার অস্থায়ী প্রদীপের দোকানে জমে উঠেছে ক্রেতাদের ভিড়। এই বছর বাজি পোড়াবার উৎসাহটা সেরকম নেই এবং বাজির দোকান কিন্তু সত্যিই চোখে পড়ছে না সেইভাবে কারণ করোনা পরিস্থিতিতে বাজি পোড়ালে তা করোনা রোগীদের জন্য জীবনহানির কারণ হয়ে উঠতে পারে তাই বাকিদের কথা ভেবেই বাকিরাও নিজেদেরকে সংযত করেছেন বাজি পোড়ানো থেকে তার বদলে তারা মন দিয়েছেন রংবাহারি আলো প্রদীপ এবং রঙ্গোলিতে।
এই বছর দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের কালীপুজো উপলক্ষে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে, লাইট অ্যান্ড সাউন্ড এর মাধ্যমে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের গায়ে কালীপুজো সংক্রান্ত বিশেষ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে।
এবারে করোনা যেরকম মহিষাসুরের জায়গা নিয়েছিল সেই রকমই ডাকিনী যোগিনী রূপে এবার করোনা কে দেখা যাচ্ছে। তবে কুমোরটুলির শিল্পীরা একটু চিন্তায় রয়েছেন কারণ বাজার এইবারে মন্দা।
তবুও সবমিলিয়ে বাঙালি চেষ্টা করছে ঘুরে দাঁড়াতে এবং ফের স্বাভাবিক জীবন যাপন শুরু করতে সেই জন্যেই আলোর উৎসবে মন থেকে সামিল হচ্ছে বাঙালি।





