চাউমিনের দাম মাত্র ১০ টাকা আর বিরিয়ানি মিলছে ৩৫ টাকায়। কী বিশ্বাস হতে না তো? এমন সুস্বাদু খাবার তাও এমন জলের দরে! ভাবছেন কোনও ঠাট্টা চলছে? একাবারেই নয়। পকেটসয়ী দামে এমন লোভনীয় খাবার কিনতে ভিড় উপচে পড়ছে দোকানে।
নতুন দোকান খুলেছেন মিঠুন। তাঁর এমন আকর্ষণীয় অফারের কারণে তাঁর সেই দোকান ইতিমধ্যেই ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। দত্তপুকুর স্টেশনের এই আশীষ ফাস্ট ফুড সেন্টারের কথা এখন সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে শিয়ালদহ-বনগাঁ শাখার যাত্রীদের মুখে মুখে ঘুরছে।
মিঠুনের দোকানের এই সুস্বাদু ১০ টাকার চাউমিন ও ৩৫ টাকার বিরিয়ানি খেতে ভিড় জমাচ্ছেন পথচলতি মানুষ থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া, স্থানীয়রা সকলেই। শুধু এলাকার মানুষই নয়, বাইরে থেকেও মানুষজন এসে লাইন দিচ্ছেন মিঠুনের এই দোকানে কম টাকায় এত লোভনীয় খাবার পেতে।
১০ টাকার চাউমিন যেমন হু হু করে উড়ে যাচ্ছে, তেমনই সাবাড় হয়ে যাচ্ছে ৩৫ টাকার বিরিয়ানিও। প্রতিদিন ১২০ থেকে ১৫০ প্লেট বিরিয়ানি বিক্রি হচ্ছে। ২-৩ হাঁড়ি অনায়াসে শেষ হয়ে যাচ্ছে। গ্রাহকদের মতে, নামীদামী রেস্তোরাঁর মতো না হলেও মোটামুটি পেট ভরার মতো বিরিয়ানি দেওয়া হয় এই দোকানে আর তা বেশ সুস্বাদুও বটে।
১০ টাকায় যেখানে এক কাপ চা এবং বিস্কুট খেলেই শেষ, সেখানে ১০ টাকায় চাউমিন,সকল মানুষের নজর কেরেছে।দোকানে সবসময় জন্যে থাকে জামাই মিঠুন দত্ত,মালিক শ্বশুর হলেও দোকানের ভার সবটাই মিঠুনের উপরে। সেল বেশি হলে লভ্যাংশও ঠিকঠাক থাকে। সেল কম হলে লাভ সেভাবে হবে না, তবে এখনও পর্যন্ত সেই চিন্তা করতে হচ্ছে না। তাঁর কারণ সেল যথেষ্ট গত একমাসের দোকানে।
বিরিয়ানির দাম এত কম হলেও তাতে কিন্তু থাকে বাসমতি চাল, ৫০ গ্রামের চিকেনের টুকরো ও এক টুকরো আলু। দত্তপুকুর স্টেশনের পাশে আশীষ ফাস্ট ফুড সেন্টারে সেই খাবার তৈরি ভ্য আর তা গরম গরম চলে আসে প্ল্যাটফর্মের উপর। আপাতত এই দামই বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন মিঠুন। তবে চিকেনের দাম যদি ২০০ টাকা ছাড়ায়, তাহলে বিরিয়ানির দাম একটু বাড়লেও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।





