ভোটের টিকিট ও চাকরির লোভ দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ, বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপি নেতা নিশীথ প্রামাণিকের পিএ-র বিরুদ্ধে

বিধানসভা ভোটের টিকিট ও চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়েছেন তিনি, এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ উঠল বিজেপি নেতা নিশীথ প্রামাণিকের পিএ বা আপ্ত সহায়কের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে খবর।

জানা গিয়েছে, ময়নাগুড়ির মাধব ডাঙা এলাকার বাসিন্দা বিশ্বনাথ শীল। তিনি মেখলিগঞ্জ এলাকার বিজেপির ব্লক সভাপতি। নিজের ভাগ্নে ও অন্যান্য যুবকদের চাকরি ও নিজে ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে দাঁড়াবার জন্য টিকিট কিনতে নিশীথ প্রামাণিকের পিএ পরিমল রায়কে ৫০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পরিমল রায় তাঁকে আশ্বাস দিয়েছিলেন চাকরি হবে ও তিনি ভোটের টিকিটও পাবেন।

অনলাইন লেনদেন হয়েছিল বলে খবর। কিন্তু দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও কেউ চাকরি পান নি। একাধিকবার পরিমলকে বলেও কোনও লাভ হয়নি। টাকা ফেরত চেয়েও মেলেনি। বিশ্বনাথবাবু জানাচ্ছেন, “২০১৪ সালে সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যাই। তারপর থেকে বিজেপি করি। এরপর নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে পরিচয় হয়। এরপর তাঁকে ফোন করে একদিন তাঁর বাড়ি যাই। আমার এক অনাথ ভাগ্নে আছে। তাঁর চাকরির জন্যই বলি”।

তাঁর কথায়, “উনি আশ্বাস দেন দিল্লিতে চাকরি হয়ে যাবে। তবে আমি রাজি হইনি। কারণ ও অনাথ সেই কারণে। এরপর পরিমল রায় আমায় নিজেকে নিশীথ প্রামাণিকের পিএ পরিচয় দিয়েছে ধাপে ধাপে কখনও পঞ্চাশ লক্ষ, কখনও এক লক্ষ কখনও দুই লক্ষ টাকা নিয়েছেন। আমায় টিকিট পাইয়ে দেবেনও বলেছিলেন”।

আরও পড়ুনঃ বাজির তীব্রতায় কষ্ট পাচ্ছিলেন হৃদরোগে আক্রান্ত মা, শব্দবাজির প্রতিবাদ করায় বাঁশ-লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর ছেলেকে

চাকরি না হওয়ায় ও ভোটের টিকিট না পাওয়ায় পরিমলের বিরুদ্ধে ময়নাগুড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বিশ্বনাথ শীল। এই ঘটনায় পুলিশ সুপার উমেশ খান্ডবাহালে জানান, নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পরিমল রায়ের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 

আরও অন্যান্য খবর