আজ ২১শে‌ বাংলার সোনার ইস্তেহার প্রকাশ করবে বিজেপি! কোন কোন ক্ষেত্রে বিশেষ নজর? দেখে নিন বিস্তারিত

২১শেই একুশের ইস্তেহার প্রকাশ করবে বিজেপি। চলতি বছরের বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের ইস্তেহারে কি কি থাকতে পারে চলুন এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক-

রাজ্যে শিল্পায়নের পাশাপাশি কৃষি, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রেও বিশেষ নজর দেওয়ার কথা থাকতে চলেছে এই ইস্তেহারে। চাকরির ক্ষেত্রেও বিশেষ পদক্ষেপ করবে বিজেপি।

মেয়েদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হতে পারে।
সরকারি কর্মচারিদের জন্য সপ্তম বেতন কমিশন গঠন । মণ্ডল কমিশনের সুপারিশের বাস্তবায়ণ। তিলি , মাহিষ্য ইত্যাদি অনগ্রসর জাতিকে সংরক্ষণের প্রস্তাব ।
কৃষক ও মৎস্যজীবী প্রধানমন্ত্রী কৃষক সম্মান যােজনার আওতায় বকেয়া ১২ হাজার টাকা সহ মােট ১৮ হাজার টাকা সরাসরি কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হবে । ৪ লক্ষ মৎস্যজীবীকে প্রধানমন্ত্রী কিষণ সম্মান । প্রকল্পের অনুরূপ বছরে ৬ হাজার কোটি টাকা দেবে সরকার । মৎস্যজীবীদের জন্য পৃথক দফতর । প্রতিটি বাড়িতে পাইপলাইনে পরিস্ৰত পানীয় জল সরবরাহ । দ্বারকেশ্বর ও গন্ধেশ্বর সেচ প্রকল্পের জন্য ৩০০০ কোটি টাকা ।
জেলা শহরগুলিতে আধুনিক পরিকাঠামাে নির্মাণ । বাংলার নির্বাচনী ইস্তেহারে কৃষিক্ষেত্রে একাধিক সুযোগ-সুবিধার কথা ঘোষণা করতে চলেছে বিজেপি। কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষকের আয় দ্বিগুন বৃদ্ধি, কৃষির আধুনিকীকরণ, কৃষিজাত পণ্যের প্রক্রিয়াকরণ ও কৃষকের বিপনণ পদ্ধতির আমূল সংস্কার সাধন করার কথা বলা হতে পারে ইস্তেহারে। রাজ্যের সমস্ত কৃষকদের এবং বর্গাদারদের প্রধানমন্ত্রী কৃষক সম্মান নিধি প্রকল্পের আওতায় আনা। ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋন মকুব করার কথাও ঘোষণা করার কথা এই ইস্তেহারে। মৎস্যচাষ তথা প্রানীপালনের ক্ষেত্রেও অনুরূপ সুবিধা প্রদান করা হবে।

স্বাস্থ্য ক্ষেত্রেও একাধিক ঘোষণা করা হতে পারে এই ইস্তেহারে। রাজ্যের সমস্ত মানুষকে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের আওতায় আনা হবে। পিছিয়ে পড়া ব্লকগুলিতে মোবাইল ক্লিনিক এবং মোবাইল ল্যাবরেটারি চালু করা। কল্যাণীতে এইমস নির্মাণ করে এক বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ রূপে চালু করা। বিনামুল্যে করোনা টিকাকরণ। রাজ্যে মেডিক্যাল কলেজ স্থাপন ও আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করা। রাজ্যের সমস্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগে বিশেষ উদ্যোগ। বেসরকারি ক্ষেত্রে চিকিৎসা ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শিক্ষাক্ষেত্রে তফসিলি জাতি ও উপজাতির ছাত্রদের উচ্চ শিক্ষায় ৫০ শতাংশ আর্থিক সহায়তা । তফসিলি উপজাতির ছাত্রদের জন্য হস্টেল নির্মাণে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব ।
 সাঁওতাল , ওরাঁও , মুণ্ডা , কোরা , লােধা , মাহিলি , শবর , বেদিয়া , ভূমিজ সহ প্রতিটি উপজাতি কল্যাণে ১০০ কোটি টাকা করে তহবিল গঠন ।
 সামাজিক অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য তফসিলি জাতি ও উপজাতির মানুষকে বিনামূল্যে আইনি সাহায্য । বিরসা মুণ্ডের স্মরণে ঝাড়গ্রামে আদিবাসী শ্রুতি সংগ্রহালয় নির্মাণ । ধর্মীয় স্থান ও আধ্যাত্মিক কেন্দ্রে ভ্রমণের জন্য আদিবাসীদের জন্য ২৫০ কোটি টাকার তহবিল গঠন ।
এছাড়াও আরও অনেক পরিকল্পনার থাকতে পারে বিজেপির আসন্ন ইস্তেহারে।

RELATED Articles