দিল্লি থেকে দুর্গাপুজোর জন্য পাঠানো হয়েছিল অনুদান। সেই অনুদানের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। সেই নিয়ে বিজেপির বিজয়া সম্মিলনীতে বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সামনেই জেলা বিজেপি সভাপতির উপর চড়াও হন বিজেপি কর্মীরা। ওই জেলা সভাপতিকে বহিষ্কারের দাবীও উঠেছে।
কী ঘটেছে গোটা ঘটনাটি?
ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল, মঙ্গলবার দক্ষিণ ২৪ পরগণার মগরাহাট বিধানসভা কেন্দ্রের ধামুয়ায়। দুর্গাপুজোর অনুদান হিসেবে রাজ্যের নানান ক্লাবগুলিকে এই বছর ৭০ হাজার টাকা করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বছর আবার নানান পুজো কমিটিগুলিকে দুর্গাপুজোর অনুদান দিয়েছে বিজেপিও। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে দেওয়া হয় সেই টাকা। কিন্তু জেলার বিজেপি নেতাদের কাছে সেই টাকা পৌঁছয় নি বলে অভিযোগ।
গতকাল, মঙ্গলবার মগরাহাট পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের ধামুয়ায় একটি গেস্ট হাউসে বিজেপির বিজয়া সম্মিলনীতে যোগ দেন দিলীপ ঘোষ। এদিন তিনি প্রবেশ করার কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেখানে আসেন জয়নগর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি উৎপল নস্কর। তাঁকে দেখামাত্রই দলীয় কর্মীদের একাংশ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে।
তাদের অভিযোগ, ওই জেলা সভাপতিই কেন্দ্র থেকে আসা দুর্গাপুজোর অনুদানের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তাঁর উপর চড়াও হন বিজেপি কর্মীদের একাংশ। ধ্বস্তাধস্তি চলে। শুরু হয় হাতাহাতিও। পরিস্থিতি সামাল দিতে গেলে দিলীপ ঘোষও বিক্ষোভের মুখে পড়েন।
কী অভিযোগ কর্মীদের?
বিক্ষোভকারী কর্মীদের অভিযোগ, “দুর্গাপুজোয় দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে সাংগঠনিক জেলার ক্লাবগুলোর জন্য আর্থিক অনুদান পাঠানো হয়েছিল। সেই টাকা জেলা সভাপতি ক্লাবগুলোকে না দিয়ে বেশিরভাগ অংশই নিজে আত্মসাৎ করেছেন”।
শুধুমাত্র এই এলাকাই, নাকি অন্যান্য জেলাতেও পুজোর টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে, এখন সেই প্রশ্নই উঠেছে বিজেপির অন্দরে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, “কে কী টাকা নিয়েছে, কোথায় নিয়েছে, তা নিয়ে নির্দিষ্ট ফোরামে অভিযোগ করা উচিত। ভারপ্রাপ্ত দলীয় নেতৃত্ব নিশ্চয়ই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করবেন”।





