নারদ কান্ডে সাতসকালেই বঙ্গ রাজনীতির চার দুঁদে নেতাকে গ্রেফতার করে নিয়ে গিয়েছিল সিবিআই। কিছু শেষ রক্ষা হল না। আদালতে জোর ধাক্কা খেলো সিবিআই। আদালতে যে নথি পেশ করেছিল সিবিআই, সেখানে বিস্তর ফাঁক ছিল বলে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত আজ, ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, বিধায়ক মদন মিত্র এবং প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে নিজাম প্যালেস নিয়ে যায় সিবিআই৷ নারদ কাণ্ডে মোট ১৩ জন অভিযুক্ত ছিলেন৷ তাঁদের মধ্যে প্রথম চার্জশিটে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ করেছে সিবিআই৷ এই বিস্তর ফাঁক থাকায় জামিনে মুক্ত হয়ে গেলেন তৃণমূল কংগ্রেসের হেভিওয়েট নেতারা।
প্রসঙ্গত সেই সঙ্গে নারদ স্ট্রিং অপারেশনে সিবিআই যে চার্জশিট পেশ করেছিল সেখানে সাংবাদিক ম্যাথু স্যামুয়েলের আইফোনের উল্লেখ ছিল না। ওই আইফোন ফোর এস–দিয়েই নারদ কান্ড চালিয়েছিলেন সাংবাদিক ম্যাথু স্যামুয়েল৷ সিবিআই সূত্রে খবর, ওই আইফোন থেকে সব তথ্য উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি৷ পরবর্তীকালে সেই তথ্য হাতে এলে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে তার উল্লেখ করবে সিবিআই৷
এদিনের চার্জশিটে ঘটনার পুনর্নির্মাণ, সাক্ষীদের বয়ান, অভিযুক্তদের ভয়েস টেস্ট করে পাওয়া তথ্যেরই উল্লেখ করেছে সিবিআই৷
আরও পড়ুন- বিজেপি করে বলে শুভেন্দু-মুকুলের সাত খুন মাফ! যত দোষ ফিরহাদ-মদনের? ফুঁসছে তৃণমূল শিবির!
সূত্রের খবর, স্যামুয়েলের ফোন থেকে সম্পূর্ণ তথ্য উদ্ধারের জন্য ইতিমধ্যেই ক্যালিফোর্নিয়ায় অ্যাপলের সদর দফতর থেকে দুই বিশেষজ্ঞ এসে দিল্লিতে সিবিআই আধিকারিকদের সঙ্গে দেখাও করেন৷ তাঁদের সাহায্যে বেশকিছু তথ্য সিবিআইয়ের হাতে আসে৷ কিন্তু সব তথ্য উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি৷
মার্কিন মুলুক থেকে আসা ওই দুই বিশেষজ্ঞ সিবিআই কর্তাদের জানিয়েছিলেন, আইফোনের ক্লাউড সার্ভারে যে জায়গা ছিল তা অতিরিক্ত টাকা দিয়ে বাড়িয়ে নিয়েছিলেন ম্যাথু স্যামুয়েল৷
ইতিমধ্যেই আইফোনের ক্লাউড সার্ভারে থাকা তথ্য, ভিডিও হাতে পেতে বিদেশমন্ত্রকের মাধ্যমে ফের অ্যাপলের সদর দফতরে চিঠি পাঠিয়েছে সিবিআই৷





