গরু পাচার চক্র কাণ্ডে বিস্ফোরক অধীর রঞ্জন চৌধুরী! গরু পাচারের টাকায় ভরেছে বাংলার শাসক দলের নির্বাচনী তহবিল! কটাক্ষ তাঁর!

বাংলাদেশে (Bangladesh) গরু পাচার চক্র (cattle smuggling) কাণ্ডে পশ্চিমবাংলার (West Bengal) শাসক দলকে একহাত নিয়ে আক্রমণ শানালেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী (Pradesh Congress President Adhir Ranjan chowdhuri)। ক্রমে গরু পাচার কান্ডের জাল ছড়াচ্ছে সিবিআই (CBI)। ধরা পড়ছে একের পর এক দুঁদে আধিকারিক। আর এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে শাসক দলকে বিঁধতে মাঠে নেমে পড়েছে প্রায় সব বিরোধী রাজনৈতিক দলই।

এরই মাঝে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। অধীর চৌধুরীর দাবি, গরু পাচারের টাকায় ভরেছে তৃণমূলের নির্বাচনী তহবিল। গরু পাচারের রহস্য উদ্ধারে বুধবারই কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) ১৬টি ঠিকানায় তল্লাশি চালান সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা। বিধাননগরে অভিযুক্ত বিএসএফ আধিকারিক সতীশ কুমারের বাড়ি সিল করে দিয়েছে সিবিআই।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নিজের বক্তব্য রাখেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। তাঁর প্রশ্ন, ‘সীমান্তে না হয় বিএসএফ টাকা লুঠ করেছে। কিন্তু পুলিশ ও শাসকদলের মদত ছাড়া গরু পাচার কী করে হতে পারে? গরু জাতীয় সড়কের ওপর দিয়ে গড়ি করে পাচার হয়েছে। মানিব্যাগে করে তো আর পাচার হয়নি?’ অধীরবাবুর দাবি, ‘গরুপাচারের টাকায় তৃণমূল নেতারা নির্বাচনী তহবিল গঠন করেছেন। এই টাকা গিয়েছে পুলিশের পকেটেও।’

আর এরপরই কোন রাখঢাক না রেখেই সুজাসুজি আক্রমণ শানেন রাজ্য সরকার পক্ষের দিকে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, ‘গরু পাচারে তৃণমূল নেতাদের কত করে মাসোহারা দিতে হত তা পুলিশ তো জানেই সাধারণ মানুষও ভাল করে জানে। মুর্শিদাবাদে তো তা ওপেন টু অল। কলকাতা পুলিশের হেড কোয়ার্টার (লালবাজার) থেকে দিদির দলের জন্য টাকার পাহাড় তৈরি করতে গরু পাচারের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।’

RELATED Articles

Leave a Comment