সোমবার তমলুকে সভা করেন শুভেন্দু। রবিবার রাতে নন্দীগ্রামে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে গুরুতর জখম হন দুই বিজেপি কর্মী। সেই প্রতিবাদে শুভেন্দুর নেতৃত্বে তমলুকে থানা ঘেরাও কর্মসূচীও হয়। এদিন তমলুকের সভা থেকে ফের একবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেশ কড়া আক্রমণ শানালেন বিজেপির নতুন নেতা। তীর বিঁধলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। বললেন, ১৬ই ফেব্রুয়ারির আগে মমতার বাড়িতেও পদ্ম ফুটবে।
গত রবিবার সভা থেকে শুভেন্দুকে বেলাগাম আক্রমণ করেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দুকে ঘুষখোর, মধুখোর, বিশ্বাসঘাতক বলে দাগেন তিনি। এদিন তমলুকের সভা থেকে নিজের দিকে উঠে আসা প্রত্যেকটা আক্রমণের জবাব দেন শুভেন্দু। বলেন, তোলাবাজ ভাইপোর মতো চিটিংবাজ খুব কমই রয়েছে। ছোটো থেকেই চিটিং করছে বলে দাগেন শুভেন্দু। দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন সৌগত রায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে।
এরপরই তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘মধুখোর’ কটাক্ষের জবাব দিয়ে বলেন যে, “আমি ২০১১ সালের আগে যা ছিলাম, এখনও তাই-ই আছি। বাড়িও পাল্টায়নি, গাড়িও পাল্টায়নি। কারণ আমি মধু খাইনি”। এরপর তিনি প্রশ্ন রাখেন যে, তাঁর বিরুদ্ধে যখন এতই দুর্নীতির অভিযোগ তাহলে তাঁকে দলে রাখার জন্য অত জোর কেন করা হয়েছিল আর কেনই বা ২রা ডিসেম্বর তাঁর হাত-পা ধরা হয়েছিল? শুভেন্দুর দাবী, কে ডি সিং-কে অভিষেকই নিয়োগ করেছিলেন ও সুদীপ্ত সেনের চিঠির পিছনেও অভিষেকেরই কারসাজি রয়েছে।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে শুভেন্দু বলেন যে তিনি নিজের বাড়িতে পদ্ম ফুটিয়েছেন, রামনবমীর আগে সব পদ্ম ফুটিয়ে দেবেন। এরপর চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেন যে “১৬ই ফেব্রুয়ারির আগে মাননীয়ার বাড়িতেও পদ্ম ফোটাব”। শুভেন্দুর এই মন্তব্য নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। এই কথার ইঙ্গিতে শুভেন্দু ঠিক কী বোঝাতে চাইলেন, এ নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক। এদিনের সভা থেকে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীরও ভুয়ো প্রশংসা করেন। এও আশ্বাস দেন যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে প্রত্যেকের ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত হবে।





