বিজেপিকে রুখতে অন্য যেকোনও রাজনৈতিক দলকেই যাতে সাধারণ মানুষ সমর্থন করে সেই বার্তা নিয়েই প্রচারে নামবে বলে জানালেন এই সংগঠনের প্রধান। সেইসঙ্গে জানায় আছে উত্তরের তিন আসনের পাশাপাশি রাজ্যে মোট ১২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে সিপিআইএমএল।
আপাত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ফাঁসিদেওয়া খরিবাড়ি থেকে সুমতি এক্কা, ময়নাগুড়ি থেকে উদয়শঙ্কর অধিকারী, মোথাবাড়ি থেকে ইব্রাহিম শেখ ও খড়গ্রামে টুলুবালা দাস লড়বেন৷ এছাড়া কৃষ্ণনগর দক্ষিণ থেকে সন্তু ভট্টাচার্য, নাকাশিপাড়া থেকে কৃষ্ণ প্রামাণিক, উত্তরপাড়া থেকে সৌরভ রায়, ধনেখালী থেকে সজল দে ভোটে দাঁড়াচ্ছেন৷ রানীবাগ থেকে সুধীর মুর্মু, অন্ডাল থেকে নির্মল বন্দ্যোপাধ্যায়, জামালপুর থেকে তরুন কান্তি মাঝি, মন্তেশ্বর থেকে আনসার আমন মন্ডল সিপিআইএমএলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
আরও পড়ুন –প্রকাশ হল বিজেপির প্রার্থী তালিকা, কারা কারা আছে এই তালিকায়, দেখে নিন-
পাশাপাশি গত বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী বাম প্রার্থীকে সমর্থন করছে সিপিআইএমএল। বাকি আসনে সাধারণ মানুষ সংযুক্ত মোর্চা বা তৃণমূলকে সমর্থন করলে তাতে আপত্তি নেই তাদের l
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সিপিআইএমএল প্রধান দীপঙ্কর ভট্টাচার্য বলেন, ‘আব্বাস সিদ্দিকির কিছু ভিডিও দেখেছি। সেইসব দেখে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি কোনওভাবেই উদার, আধুনিক এবং প্রগতিশীল মতবাদ বলে মনে হয়নি । একদম নতুন শক্তি অপরীক্ষিত রাজনৈতিক দলকে এতগুলো আসন কেনও ছেড়ে দিল জানা নেই।’
রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপিকে রাজ্যে রুখতে এখনও পর্যন্ত প্রধান শক্তিশালী রাজনৈতিক দল হিসেবে রয়েছে একমাত্র শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। সংযুক্ত মোর্চা সব আসনে প্রার্থী দিলেও রাজ্যে তৃণমূল ও বিজেপির মতো রাজনৈতিক দলকে হারিয়ে ক্ষমতায় আসাটা কষ্টসাধ্য। সেইজন্য বিজেপি যাতে কোনওভাবে ক্ষমতায় না আসে সেইজন্য পরোক্ষভাবে সাধারণ মানুষকে তৃণমূল অথবা সংযুক্ত মোর্চাকে সমর্থনের ইঙ্গিত দিলেন দীপঙ্কর ভট্টাচার্য।





