চাকরির জন্য কাটমানি দিয়েছিলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েতের উপপ্রধানকে। কিন্তু বছর ঘোরা সত্ত্বেও চারকিতো দূর এমনকি কাটমানিও ফেরত পাওয়া যাচ্ছেনা বলে অভিযোগ। আর তাতেই আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন কাটমানি দেওয়া সেই কলেজ ছাত্রী৷
ঘটনাটি ঘটেছে মালবাজারের গাজলডোবার ১২ নম্বর কলোনিতে। জানা গিয়েছে, মালবাজারের মহকুমা হাসপাতালের ওয়ার্ড গার্লের চাকরি দেওয়ার নাম করে সেই ছাত্রীর পরিবারের কাছ থেকে কাটমানি নিয়েছিলেন মালবাজার মহকুমার ওদলাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সুশীল সরকার। প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার কাটমানি নেন তিনি। অভিযোগ, এরপর বছর ঘুরলেও চাকরি আর দেননি সুশীল সরকার৷ উল্টে কাটমানির টাকা ফেরত চাইতে গেলে সেই টাকাও আর দিতে চাননি তিনি।
অপরদিকে কাটমানি দিতে ১ লাখ ২০ টাকার প্রায় সম্পুর্ণটাই বিভিন্ন লোকের নিকট ঋণ করেছিলেন সেই কলেজ ছাত্রী লিপিকা পন্ডিতের পরিবার। তারা সঠিক সময়ে টাকা না পাওয়ায় বারবার লিপিকাদের বাড়ি গিয়ে তাদের অপমান করছিলেন৷ এমতাবস্থায় সেই কলেজ ছাত্রী মানসিক চাপে পরে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে জানা যায়। আপাতত মালবাজার মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সেই কলেজ ছাত্রী৷





