আগামীকাল ২১শে জুলাই। তৃণমূলের শহীদ দিবস। প্রতিবছর এই দিন ধর্মতলায় বিশালাকারে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় কিন্তু এই বছর করোনা বিধি বাম। তাই ভার্চুয়াল সমাবেশই হবে। এবার এই একুশে জুলাই পালন করা নিয়ে তৃণমূলকে একহাত নিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বললেন, “আগামী একুশে জুলাই বাংলার জনগণ যেন তৃণমূলের অধীনে যে রাজনৈতিক হিংসা চলছে তার প্রতিবাদে সমর্থন ও একতা জানাতে নিজেদের বাড়ির সামনে কালো পতাকা ঝুলিয়ে রাখেন।”
আজ নিজের বাসভবনে ডাকা সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন যে, এই রাজ্য সরকার বাক স্বাধীনতার অধিকার খর্ব করেছে সেখানে তারা একুশে জুলাই শহীদ দিবস পালন করার নৈতিকতা হারিয়েছে। তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও সেইসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও বটে কিন্তু গোটা রাজ্যে বর্তমানে যা ঘটে চলেছে তার জন্য তাঁর ও তাঁর দলের লজ্জা হওয়া দরকার। যেভাবে গোটা রাজ্যে বিজেপি কর্মী ও তাদের পরিবারের উপর রাজনৈতিক হিংসা চালাচ্ছে তৃণমূল তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এই পরিপ্রেক্ষিতে একুশে জুলাই কে প্রহসন দিবস বলা উচিত।
এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গে যাঁরা রাজনৈতিক হিংসার কারণে প্রাণ হারিয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন বঙ্গ বিজেপি সভাপতি। তবে তিনি কি ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর ঘটনাকে লঘু করে দেখছেন? এই প্রশ্নের উত্তরে দিলীপবাবুর স্পষ্ট জবাব, বিজেপি সেই দিনের ঘটনায় শহীদদেরকে অশ্রদ্ধা জানাচ্ছে না বরং মমতা ব্যানার্জি যে নৈতিকতা হারিয়েছেন সেই নিয়ে তিনি সোচ্চার হয়েছেন।
এই সাংবাদিক বৈঠকে কীভাবে বিজেপি কর্মীরা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা রাজনৈতিক হিংসার শিকার হয়েছেন তাঁর উল্লেখ তিনি করেন। সবশেষে তিনি ৯৩ জন বিজেপি কর্মীদের নামের একটি তালিকা প্রকাশ করেন যাঁরা গত নয় বছরে তৃণমূলের হামলায় মারা গিয়েছেন।





