‘এবার বুঝবেন দিল্লির লাড্ডু কেমন হয়, তৃণমূলের অনেক নেতাদের কপালেই এবার দুঃখ নাচছে’, অনুব্রতর দিল্লি যাত্রা নিয়ে খোঁচা দিলীপের

গতকাল, মঙ্গলবার দোলের দিনই কলকাতা থেকে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়েছে গরু পাচার কাণ্ডে (cattle smuggling case) ধৃত অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mandal)। সেখানে তাঁকে তিনদিন ইডি-র হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনুব্রতর এই দিল্লি যাত্রার বিরোধিতা করেছে শাসক দল তৃণমূল। এবার কেষ্টর এই যাত্রা নিয়ে খোঁচা দিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “তিনি এবার বুঝবেন দিল্লির লাড্ডু কী রকম”।  

আজ, বুধবার সকালে খড়গপুরে চা চক্রে যোগ দেন দিলীপ। সেখান থেকেই অনুব্রত ও রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ শানান তিনি। বলেন, “এবার বুঝতে পারবেন দিল্লির লাড্ডু কি রকম । পশ্চিম বাংলার রাজনীতির এখন ক’দিন একটু হালকা হয়ে যাবে সাধারণ মানুষ আর কোনও খবর পাবে না”। তিনি আরও বলেন, “আমরা একটা জিনিস দেখলাম, টিভি-মিডিয়া, পুলিশ প্রশাসন এমনকি ইডি-সিবিআই পর্যন্ত কীরকম ব্যস্ত ছিল ওঁকে নিয়ে। তার মানে ওঁ কত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়েও এত ব্যস্ত হতে দেখা যায়নি”।

মেদিনীপুরের সাংসদ আরও বলেন, “এতদিন যে কথাগুলো পেট থেকে বের হচ্ছিল না, এবার সেগুলো বের হবে। আমার মনে হয় তৃণমূল নেতাদের মধ্যে অনেকের কপালে এবার দুঃখ আছে”।

বলে রাখা ভালো, আজ, বুধবার অনুব্রতকে জেরা করবেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। এই জেরার জন্য ইডি-র ডিরেক্টর সঞ্জয় মিশ্রের নেতৃত্বে চারজনের একটি দল গঠন করা হয়েছে। ইডি-র এই দলে রয়েছেন আইপিএস সনিয়া নারাং, স্পেশ্যাল ডিরেক্টর বিবেক আর ওয়াদেকার, স্পেশ্যাল ডিরেক্টর রাহুল নবীন, স্পেশ্যাল ডিরেক্টর মনিকা শর্মা। এছাড়াও থাকছেন সুনীল কুমার যাদব, যোগেশ শর্মা, ও সোহান কুমার শর্মার মতো তাবড় তাবড় আধিকারিকরা।

এদিন চা চক্রে দিলীপ ঘোষ আরও কটাক্ষ করে বলেন যে রাজ্য সরকার অ্যাডিনো ভাইরাসের বাড়বাড়ন্ত নিয়েও ততটা উদ্বিগ্ন নয়, যতটা অনুব্রতর দিল্লি যাওয়া নিয়ে চিন্তিত। দিলীপের কথায়, “রাজ্য সরকার এতদিন কেষ্টকে বাঁচাতে ব্যস্ত ছিল, বাচ্চাদের কখন বাঁচাবে। মায়েদের কোল খালি হয়ে যাচ্ছে আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেষ্টকে বাঁচাতে ব্যস্ত। এবার অন্তত বাচ্চাদের কথাগুলো ভাববার সময় পাবেন”।

RELATED Articles