ভোটের মুখে রাজনৈতিক সৌজন্য! গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে জখম হওয়া তৃণমূল কর্মীকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন দিলীপ ঘোষ

Dilip Ghosh visit hospital: শুরু হয়ে গিয়েছে গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় উৎসব। গতকাল, ১৯ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে লোকসভা নির্বাচন। ভোট প্রচারের ময়দানে আপাতত সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতানেত্রীরা। এই ভোট প্রচারের মধ্যেই এবার রাজনৈতিক সৌজন্যতা বজায় রাখলেন বর্ধমান-দুর্গাপুরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। জখম তৃণমূল কর্মীকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন তিনি (Dilip Ghosh visit hospital)

জখম হওয়া ওই তৃণমূল কর্মীর নাম স্বপন মল্লিক। মনোহরপুর সুজাপুর গ্রামের বাসিন্দা তিনি। সূত্রের খবর, গত ১০ এপ্রিল স্ত্রী ও এক নাতনিকে নিয়ে মেয়ের বাড়ি শিড়রাই গ্রামে গিয়েছিলেন তিনি। বাইকে করে ফিরছিলেন বাড়ি। সেই সময় পথেই তাকে টাঙি, লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়।

এই এলাকার আর এক তৃণমূল নেতা ইমদাদুল হক মল্লিকের বিরুদ্ধে ওঠে অভিযোগ। গোষ্ঠীকোন্দলের জেরেই এমন মারধর করা হয়েছে বলে দাবী। বর্তমানে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি রয়েছেন তিনি। সেখানেই তাঁকে আজ দেখতে গেলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh visit hospital)। যদিও এই ঘটনায় বেশ রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে।

এদিন তৃণমূল কর্মীকে দেখে হাসপাতাল (Dilip Ghosh visit hospital) থেকে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন দিলীপ ঘোষ। তৃণমূলের উপর ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে তিনি বলেন, “সাধারণ গরিব মানুষ কী সর্বদা রাজনীতির বোরে হয়ে থাকবে? টিএমসি-র নেতারা যাকে খুশি মারবে কাটবে শেষ করে দেবে? কেউ কিছু বলতে পারবে না? বললেই তাঁকে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেবে (Dilip Ghosh visit hospital)! এর থেকে দুর্ভাগ্যের আর কী হতে পারে। আজ ওই কর্মীকে দেখে গেলাম। আমরা তাঁর সঙ্গে থাকব বলেছি। ও যাতে তাড়াতাড়ি সেরে ওঠে সেই প্রার্থনা করব”।

দিলীপ ঘোষকে (Dilip Ghosh visit hospital) পাল্টা কটাক্ষ করতেও ছাড়ে নি তৃণমূল। দলের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, “উনি যেতেই পারেন। দেখতে আসতেই পারেন। উনি ভোটে দাঁড়িয়েছেন। ভোটের বাজারে এখন সিমপ্যাথী কুড়াতে চাইছেন। আমরা পুরো ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত আগে চেয়েছি। আমরা বলেছি যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে”।

প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেও ঈদের দিন দিলীপ ঘোষকে দেখা গিয়েছিল তৃণমূলের ক্যাম্পে। সেখানে সকলকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে শরবতও খেয়েছিলেন তিনি। এবার তাঁকে দেখা গেল তৃণমূল কর্মীকে হাসপাতালে দেখতে যেতে (Dilip Ghosh visit hospital)। তাঁর এহেন রাজনৈতিক সৌজন্য ভোটবাক্সে প্রভাব ফেলে কী না, এখন সেটাই দেখার।  

RELATED Articles