আরও বড় চাপের মুখে আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। সিবিআই তো তদন্ত করছিলই, এবার তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাবে ইডিও। আর জি করের দুর্নীতিতে মামলা রুজু করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আর সেখানে অভিযুক্ত হিসেবে প্রথমেই নাম রয়েছে সন্দীপ ঘোষের।
আর জি করে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় প্রথম থেকেই বিক্ষোভের মুখে সন্দীপ ঘোষ। টানা ১০ দিন সিবিআই দফতরে হাজিরা দিচ্ছেন তিনি। আজ, মঙ্গলবারও সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়েছেন তিনি। আর এরই মধ্যে জানা গেল এবার ইডিও পড়বে তাঁর পিছনে। আর জি করে আর্থিক দুর্নীতির মামলায় এবার তদন্ত শুরু করছে ইডিও।
প্রসঙ্গত, গত রবিবার সন্দীপ ঘোষের বাড়ি হানা দেয় সিবিআই। আর্থিক দুর্নীতির মামলাতেই চলে তল্লাশি। শুধুমাত্র সন্দীপ ঘোষই নয়, এদিন সিবিআই অভিযান চালায় ফরেনসিক মেডিসিনের চিকিৎসক দেবাশিস সোম, আর জি করের প্রাক্তন সুপার সঞ্জয় বশিষ্ঠের বাড়িতেও। এদিন সবুজ কাপড়ে মুড়ে বোচকা বোচকা নথি সন্দীপ ঘোষের বাড়ি থেকে নিয়ে আসে সিবিআই।
কিছুদিন আগে আর জি করে আর্থিক দুর্নীতি-সহ নানান দুর্নীতির মামলায় ইডির তদন্তের দাবী করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আর জি কর হাসপাতালের ডেপুটি সুপার আখতার আলি। বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের এজলাসে আর্জি জানিয়েছিলেন তিনি। আর মামলার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট।
আরও পড়ুনঃ খোঁজ মিলছিল না মধ্যরাত থেকেই, গ্রেফতার নবান্ন অভিযানের সেই ৪ ছাত্রনেতা, নিজেই জানাল পুলিশ, কেন এই গ্রেফতারি?
তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের মামলার সঙ্গে আর জি করে আর্থিক দুর্নীতির মামলারও তদন্ত করছে সিবিআই। তবে যেহেতু এটি অর্থ সংক্রান্ত মামলা, সেই কারণে এবার এই মামলায় যুক্ত হল ইডিও। জানা গিয়েছে, ইডির তরফে ইতিমধ্যেই কেস ইনফরমেশন রিপোর্ট বা ইসিআর দায়ের করা হয়েছে। এই ইসিআর দায়েরের অর্থ হল, কোনও মামলায় অভিযোগ দায়ের করে ইডি নিজেই সেই তদন্ত করতে পারবে। পিএমএলএ অ্যাক্টে ব্যবস্থা গ্রহণের আগে ইডি সাধারণত এই ইসিআর দায়ের করে।





