ভোট হিংসা! ভরদুপুরে ব্যারাকপুর কমিশনারেটের সামনে চলল গুলি, খন্ড যুদ্ধ তৃণমূল-বিজেপির

প্রথম দফার ভোট মিটে গেছে। কাল দ্বিতীয় দফা। কিন্তু এই পরিস্থিতিতেও রাজ্যজুড়ে অশান্তির খবর প্রতি মুহূর্তে পাওয়া যাচ্ছে।

এদিন মনোনয়ন জমা দেওয়ার কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল ব্যারাকপুর। কমিশনারেটের সামনেই চলল গুলি।

আরও পড়ুন- দ্বিতীয় দফা ভোটের ২৪ ঘণ্টা আগে বিজেপির অভিযোগে সরানো হল হলদিয়ার এসডিপিওকে 

বুধবার পুলিশের সামনেই দুপুর আড়াইটা নাগাদ ব্যারাকপুরের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শাসক-বিরোধী দুই পক্ষের হাতাহাতি শুরু হয় এবং ক্রমে ঘটনা হাতের বাইরে বেরিয়ে যায়। এরপরই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় পুরো‌ এলাকাজুড়ে। উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে আনতে র‍্যাফ নামাতে হয়। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশও।

কিন্তু এই ঘটনায় পুলিশের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা কে অস্বীকার করা যাচ্ছে না। প্রশ্ন উঠছে কীভাবে বারাকপুরের পুলিশের নাকের ডগায় গুলি চলতে পারে? আগ্নেয়াস্ত্র‌ই বা উদ্ধার হয় কীভাবে? নিরাপত্তার ব্যবস্থা আদৌ কতটুকু রয়েছে? সেটাও ভাবাচ্ছে প্রশাসনকে। বর্তমানে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে এলেও এই ঘটনার জেরে থমথমে হয়ে গেছে এলাকা।‌

এই হিংসাত্মক ঘটনায় এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর রটেছে। ইতিমধ্যেই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। এই ঘটনা সম্পর্কে বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, “ওখানে আইনশৃঙ্খলা বলে আদতে কিছু নেই। পুলিশ ঠুঁটো জগন্নাথ হয়ে বসে আছে। এখানেই যদি এরকম হয় তাহলে বাকি জায়গায় কী হবে সেটা বোঝাই যাচ্ছে। আধাসেনাকে ব্যবহার করা হচ্ছে না। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে শুধু বুথে বসিয়ে রাখলে কিছুই হবে না।”

আরও পড়ুন- বিজেপি জিতলে ইনিই হবেন বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী! সাফ জানালেন দিলীপ ঘোষ

কি বলছেন তৃণমূলের পরিচালক প্রার্থী রাজ চক্রবর্তী? তাঁর কথায়, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবেই মিছিল করে আসছিলাম। কিন্তু প্রশাসনিক ভবনে ঢোকার সময় পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে। আমার নিজের পায়ে আঘাত লাগে। তারপরই গোলাগুলি চলে। এর থেকে খারাপ কিছু হতে পারে না।”

এরপরে বিজেপিকে আক্রমণ করে রাজের বক্তব্য বিজেপি বুঝে গিয়েছে ওঁদের পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে। তাই ওঁরা সংঘর্ষ শুরু করেছে।

RELATED Articles