কাল নন্দীগ্রামে নির্বাচন। বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের সবচেয়ে হাই ভোল্টেজ কেন্দ্র। নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় চার জেলার ৩০ আসনে ভোটগ্রহণ করা হবে কাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার। এরমধ্যে পশ্চিম মেদিনীপুরের ৯, বাঁকুড়ার ৮, পূর্ব মেদিনীপুরের ৯ ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৪ আসনে ভোটগ্রহণ করা হবে।
কিন্তু একুশের নির্বাচনের ‘এপিসেন্টার’ সেই নন্দীগ্রামেই বাড়তি সতর্কতা জারি করল নির্বাচন কমিশন। তাঁদের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, নন্দীগ্রামের ৩৫৫টি বুথই স্পর্শকাতর আর তাই নন্দীগ্রামে জারি হল ১৪৪ ধারা। উল্লেখ্য, ভোটের ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে হলদিয়ার এসডিপিওকে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন- অভিষেকের সভা শেষে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা, মহিলাদেরও মারধর, অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে
আপাত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটার পর থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর করা হবে। এক সঙ্গে পাঁচ জনের বেশি জমায়েত করা যাবে না। ইতিমধ্যেই এই হাইভোল্টেজ কেন্দ্রে মোতায়েন করা হয়েছে ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।
সংযুক্ত মোর্চার সিপিআইএম প্রার্থী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই ভোট লুঠ হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। চলতি সপ্তাহে মঙ্গলবারই নন্দীগ্রামে প্রচার চালানোর সময়ে আক্রান্ত হন মীনাক্ষী। নন্দীগ্রামের ভূতনি মোড়ে ঘটনাটি ঘটে। আবার ময়নায় বিজেপি প্রার্থী অশোক দিন্দার ওপর আক্রমণ হয়। এরপর বাড়ানো হয় অশোক দিন্দার নিরাপত্তাও।
আরও পড়ুন- অশোক দিন্দা উপর হামলা তৃণমূলের, বিডিও অফিসে ঢুকে নিজেকে বাঁচালেন বিজেপি প্রার্থী
কেনও বারবার শিরোনাম দখল করছে নন্দীগ্রাম? কিসের এত অশান্তি হামলা? বিরক্ত নির্বাচন কমিশনও। নন্দীগ্রামকে নিয়ে দফায় দফায় বৈঠকে বসেন কমিশনের কর্তারা। এরপরই সব বুথই স্পর্শকাতর হিসাবে ঘোষণা করে দেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় নন্দীগ্রামের প্রতিটি বুথেই ৮ জন জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন থাকবেন।
বুধবার সকাল থেকেই নন্দীগ্রাম চষে বেড়াচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সঙ্গে রয়েছে রাজ্য পুলিশও। মমতা-শুভেন্দু-মীনাক্ষী লড়াই কাল চাক্ষুষ করবে বাংলা।





