আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় প্রথম থেকেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠেছিল অভিযোগ। সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন টালা থানার ওসি। তবে হঠাৎই অসুস্থ বোধ করায় তাঁকে ভর্তি করা হল হাসপাতালে। কী হয়েছে তাঁর? কোন হাসপাতালে ভর্তি তিনি? এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ড নয় তো?
কী ঘটেছিল ঠিক?
আর জি কর কাণ্ডের প্রমাণ লোপাট করার অভিযোগে গ্রেফতার হন টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডল। গতকাল, বুধবার তাঁকে শিয়ালদহ আদালতে হাজির করানো হয়। তবে আদালত থেকে জেলে ফেরার সময় পুলিশের প্রিজন ভ্যানে ওঠার সময় ঘটে এক বিপত্তি। হোঁচট খেয়ে পড়ে যান তিনি। তাঁকে উঠতে সাহায্য করেন এক পুলিশ কর্মী।
জানা গিয়েছে, এদিন আদালতে ফেরার পর থেকেই নাকি অসুস্থ বোধ করতে শুরু করেন প্রাক্তন ওসি। তাঁকে দ্রুত ভর্তি করা হয় প্রেসিডেন্সি জেলের হাসপাতালেই। এখনও সেখানেই ভর্তি রয়েছেন তিনি, এমনটাই খবর।
বলে রাখি, গতকাল, বুধবার সন্দীপ ঘোষ ও অভিজিৎ মণ্ডলকে শিয়ালদহ আদালতে পেশ করা হয়। এদিন আদালতে জামিনের আবেদন জানান অভিজিৎ মণ্ডল। সেই সময় সেই আবেদনের বিরোধিতা করে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আদালতে জানায়, টালা থানার ভিতরেই ভুয়ো নথি বানানো হয়েছে। সেই ভুয়ো নথি বানিয়ে আর জি কর কাণ্ডের প্রমাণের সঙ্গে তা অদলবদল করা হয়েছে বলে দাবী সিবিআইয়ের।
আরও পড়ুনঃ টানা ২ মাস কলকাতায় কোনও বড় জমায়েত নয়, বিবৃতি দিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করলেন নতুন পুলিশ কমিশনার
এদিন আদালতে সিবিআই দাবী করে, আর জি কর কাণ্ডের পর থেকে যে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ হয়েছে, তা ‘বিরল থেকে বিরলতম জনরোষ’। তাদের দাবী, “যে সিসি ফুটেজ ও মোবাইল উদ্ধার হয়েছে, সেগুলির ফরেন্সিক তথ্যের জন্য অপেক্ষা করছি। আমাদের হাতে আরও তিন দিনের সময় থাকছে। তখন আবার হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হতে পারে”। এদিন সিবিআইয়ের যুক্তি মেনেই অভিজিৎ মণ্ডল ও সন্দীপ ঘোষকে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।





