গতকাল উপকূলবর্তী জায়গা ছাড়া অন্যান্য জায়গায় বিশাল পরিমাণে বৃষ্টিপাত না হলে আজ থেকেও আজ থেকে রাজ্যের বেশ কিছু জেলায় ক্ষয়িষ্ণু অবস্থাতেই দাপট দেখাচ্ছে যশ! সকাল থেকেই শহর সহ রাজ্যে বেশ কিছু জায়গায় আকাশ মেঘলা। মাঝেমধ্যেই ঝমঝমিয়ে নামছে বৃষ্টি। তবে এই অবস্থায় তীব্র সর্তকতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। কারণ ভরা কোটাল।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সকালেও রয়েছে ভরা কোটাল। ফলে দুপুর ২.০৩ মিনিটে গঙ্গার জলস্তর থাকবছ প্রায় ১৮ ফুট।
ঘূর্ণিঝড় যশের দাপট কমলেও কলকাতার একাংশ আজ জোয়ারের জলে ভাসার সম্ভাবনা প্রবল রয়েছে। আর সেই কারণেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বেলা ১১.৩০ থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত বন্ধ রাখা হবে লকগেট। এই সময়ে বৃষ্টি হলে কলকাতায় জমবে জল। পরে লকগেট খুলে দিলে নেমে যাবে জমে থাকা জল।
সেইসঙ্গে রাজ্যের ৬ জেলার জন্য সর্তকতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। সকালের বুলেটিনে হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী কয়েক ঘণ্টায় দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, বীরভূম, মুর্শিদাবাদে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হবে। সেই সঙ্গে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। দুই মেদিনীপুরে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুন- ভিডিও বিতর্ক! উরুগুয়ের টর্নেডোর পুরনো ভিডিওকেই ঘূর্ণিঝড় যশের ভিডিও বলে দাবী করল এবিপি আনন্দ
এর পিছনে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ঘূর্ণিঝড় যশের কথা। শক্তি হারিয়ে যা এখন গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। পরবর্তী ৬ ঘণ্টায় শক্তি হারিয়ে পরিণত হবে নিম্নচাপে। এর প্রভাবেই কলকাতা-সহ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে আজ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
গতকাল যশের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বাংলার উপকূলবর্তী অঞ্চল এবং ওড়িশার উপকূলবর্তী অঞ্চলের। সেচ, কৃষি ও মৎস্যক্ষেত্রে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে বুধবারই নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন-পুলিশের জালে ‘রিপাবলিক বাংলা’র সাংবাদিক, সিবিআই সেজে ১৫ লক্ষ টাকার জালিয়াতির অভিযোগ
রাজ্যে ভেঙেছে ১২৪ টি বাঁধ। ৩ লক্ষেরও বেশি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত। ১ কোটি মানুষ দুর্যোগে আক্রান্ত। ১৫ লক্ষের বেশি মানুষকে রেসকিউ সেন্টারে রাখা হয়েছে। ১৪ হাজার রিলিফ ক্যাম্প গঠন করা হয়েছে। একাধিক গ্রাম বন্যা কবলিত।





