২৭ আগস্ট নবান্ন অভিযানকে পাখির চোখ, নিশ্ছিদ্র দুর্গ নবান্ন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে ৯৭ উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক

আর জি করের ঘটনার প্রতিবাদে নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে ছাত্র সমাজের তরফে। এই অভিযানকে ঘিরে উত্তাল হতে পারে কলকাতার পরিস্থিতি। অপ্রীতিকর কোনও পরিবেশ এড়ানোর জন্য এবার নবান্নকে একেবারে নিশ্ছিদ্র দুর্গ বানিয়ে ফেলা হল। চারিদিক ঘেরা হল কড়া নিরাপত্তায়। নিরাপত্তার দায়িত্বে উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তারা।

জানা গিয়েছে, নানান জেলা থেকে উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকদের ডাকা হয়েছে। আজ, শনিবার একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার অর্থাৎ নবান্ন অভিযানের দিন ২১ জন আইজি ও ডিআইজি পদমর্যাদার আধিকারিক থাকবেন নবান্ন ও ওই চত্বরের নিরাপত্তায়।

শুধু তাই-ই নয়, নিরাপত্তায় দায়িত্বে রাখা হয়েছে ১৩ জন এসপি ও ডিসি পদমর্যাদার আধিকারিকদের। ১৫ জন এডিসিপি বা এসিপি পদমর্যাদার আধিকারিক থাকবেন এদিন। ২২ জন এসি/ ডেপুটি এসপি পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিকও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন বলে জানানো হয়েছে।

এছাড়াও, ২৬ জন সাব-ইনস্পেক্টর পদমর্যাদার আধিকারিক-সহ দু’হাজারেরও বেশি পুলিশ মোতায়েন করা থাকবে বলে সূত্রের খবর। আজ, শনিবার থেকেই এলাকা পরিদর্শন করছেন উচ্চপদস্থ কর্তারা। নবান্নের আশেপাশের এলাকা পরিদর্শন করছেন তারা, এমনটাই খবর।

বলে রাখি, গতকাল, শুক্রবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে প্রথমবার জানা যায় এই নবান্ন অভিযানের আহ্বায়ক আসলে কারা। এদিন সাংবাদিক সম্মেলন করেন তিনি যুবক। এরা হলেন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্য়ালয়ে মাস্টার ডিগ্রির ছাত্র প্রবীর দাস, কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএড পড়ুয়া শুভঙ্কর হালদার ও ম্য়াকাউট-এর এমবিএ পড়ুয়া সায়ন লাহিড়ী।

আরও পড়ুনঃ গভীর ষড়যন্ত্র! নবান্ন অভিযান ব্যর্থ করতে ফেক নিউজ ছড়িয়ে ছাত্রছাত্রীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে পুলিশ, ফেসবুকে তৈরি করা হচ্ছে ফেক প্রোফাইল, বিস্ফোরক অভিযোগ

 সাংবাদিক বৈঠকে এই পড়ুয়ারা জানান, নির্যাতিতার সুবিচার, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যাঁরা যুক্ত তাদের শাস্তি ও পুলিশমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের দাবীতেই এই নবান্ন অভিযান। ছাত্র সমাজের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ২৭ তারিখ কলেজ স্কোয়ার ও সাঁতরাগাছি এই দুটি জায়গা থেকে শুরু হবে মিছিল। শান্তিপূর্ণভাবেই মিছিল হবে জানান তারা।

RELATED Articles