স্বস্তি উধাও! করোনার তৃতীয় ঢেউতে আক্রান্ত হতে পারে শিশুরা, কীভাবে রক্ষা করা সম্ভবপর হবে তাঁদের? দেখে নিন

করোনার প্রথম দফায় সবথেকে বেশি আক্রান্ত হন বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা। দ্বিতীয় দফায় অবশ্য সেই রকম কোন‌ও ছাড় নেই। কম বয়সী, তরুণ-তরুণী থেকে মাঝবয়সী সবাই আক্রান্ত হচ্ছেন এই মারণ রোগে। তবে এবার সমীক্ষা বলছে করোনার আগত তৃতীয় দফায় বেশি করে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি শিশুদের। এমনটাই মত স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।

আরও পড়ুন- করোনা নিয়ে নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের! এবার সমস্ত হাসপাতালেই ‘র‍্যাট’ পদ্ধতিতে হবে করোনা পরীক্ষা

এদিকে ১৮ বছর বয়স থেকে ভ্যাকসিন দেওয়া চলতি মাসের শুরু থেকে শুরু হলেও ভ্যাকসিনের অভাবের কারণে এখনও অনেকেরই  তা দেওয়া হয়ে ওঠেনি।

এই অবস্থায় কিভাবে রক্ষা করা সম্ভবপর হবে শিশুদের?

উপায় হিসেবে পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার শিশুদের চিকিৎসার জন্য কোভিড প্রটোকল জারি করেছে  রাজ্যের স্বাস্থ্যদফতর। সূত্রের খবর, চিকিৎসক অপূর্ব ঘোষের তত্ত্ববধানে একটি কমিটি এই বিশেষ প্রটোকল তৈরি করেছে। সেখানে শিশুরা এই মারণ রোগে আক্রান্ত  হলে কী করণীয় সেটাই উল্লেখ করা হয়েছে এই প্রটোকলে।

কী কী জানানো হয়েছে সেখানে?

উক্ত প্রটোকলে বলা হয়েছে ৮ বছরের নীচে কারোর হালকা জ্বরের সঙ্গে গলা ব্যথা, কফ, নাক বন্ধ হওয়ার মতো উপসর্গ ও পেট খারাপ, বমি হলে ও স্বাদ গন্ধ চলে গেলে এগুলি করোনার সামান্য উপসর্গ হতে পারে। সেইক্ষেত্রে আক্রান্তকে পর্যাপ্ত জল ও ওআরএস খাওয়াতে হবে। ভিটামিন সি, ডি ও জিঙ্ক দেওয়ার কথা ভাবা যেতে পারে। জ্বর থাকলে ১০ থেকে ১৫ মিলিগ্রামের প্যারাসিটামল দেওয়া যেতে পারে l

আরও পড়ুন- ফের মানবিক সোনু! করোনা আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াতে ফ্রান্স থেকে অক্সিজেন প্লান্ট আনছেন অভিনেতা

সেইসঙ্গে সর্তকতা হিসেবে জানানো হয়েছে, যদি কোনও শিশুর চারদিনের বেশি সময় ধরে জ্বর থাকে, সেইসঙ্গে উপসর্গ হিসেবে শ্বাসকষ্ট এবং অক্সিজেনের মাত্রা ৯৪ শতাংশের নীচে নেমে গেলে করোনা আক্রান্ত বলে গণ্য করা হবে। অন্যদিকে নিউমোনিয়া সহ অক্সিজেনের মাত্রা ৯০ শতাংশের নীচে নেমে গেলে সেই শিশুকে গুরুতর অসুস্থ হিসাবে ধরে নিতে হবে। সেক্ষেত্রে কোনও কালবিলম্ব না করে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তবে প্রতিটি ক্ষেত্রেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে।

RELATED Articles