আসছে ঝড়, সুন্দরবনে ছুটছেন অভিভাবক কান্তি! ‘আমি ফিরছি সুন্দরবনের ঝড়ের বিরুদ্ধে তৈরি হতে’, সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখলেন বর্ষীয়ান কমরেড

সুন্দরবনের মানুষের জন্য তাঁর মন কাঁদে।  যখন কেউ পাশে থাকে না তখন ওই সহায় সম্বলহীন মানুষগুলোর একমাত্র ভরসা হয়ে ওঠেন প্রাক্তন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী কান্তি গাঙ্গুলি। আয়লা হোক বা আমফান প্রত্যেক ঝড়ের আগে সুন্দরবনে পৌঁছে যান কান্তি। নাগাড়ে ঝড় বৃষ্টির মাঝে বাড়িয়ে দেন নিজের সাহায্যের হাত। আর তাইতো সুন্দরবনের মানুষদের মধ্যে প্রচলিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি প্রবাদ হলো “ঝড়ের আগে কান্তি আসে, আর তো কেউ আসে না।”

কিন্তু এই জননেতাকেই গত তিনটি বিধানসভা নির্বাচনে হারিয়ে দিয়েছেন সুন্দরবনের মানুষরা। কিন্তু তারপরেও কর্ম বিচ্যুতি ঘটেনি তাঁর। তিনি যে আসলেই একজন জননেতা। সুন্দরবনের মানুষের জন্য তাঁর ভালোবাসা যে কোন‌ও খামতি নেই তা ফের প্রমাণ করে ফেসবুকে টুইট করলেন বর্ষীয়ান কমরেড কান্তি গাঙ্গুলি।

আরও পড়ুন- বিজেপি সমর্থকদের শাস্তি দিতে আইন নিজের হাতে তুললেন তৃণমূল নেতা! কান ধরে উঠবস করানোর ভিডিও ভাইরাল

বুড়ো হাড়ে যে কান্তির ভেলকি দেখানো এখন‌ও বাকি রয়েছে তা প্রমাণ করতে  যশের হাত থেকে সুন্দরবনকে বাঁচাতে ফের রায়দিঘির পথে কান্তি গাঙ্গুলি। ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগে সুন্দরবন এলাকায় কোভিড হাসপাতাল খুলেছেন তিনি। যশের অভিমুখ বাংলার দিকেই। আর তাই সেটা আঁচ করেই ফেসবুকে পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘আমি ফিরছি সুন্দরবনের ঝড়ের বিরুদ্ধে তৈরি হতে।’

নিজের সোশ্যাল মাধ্যমে তিনি লিখেছেন,  পশ্চিমবঙ্গে প্রতিবন্ধী সম্মিলনীর ত্রাণ কেন্দ্রর কাজ চলছে পুরোদস্তুর। আমি ফিরছি সুন্দরবনে ঝড়ের বিরুদ্ধে তৈরি হতে। সেইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ ও আম জনতার কাছে দুটি আবেদন করেছেন তিনি।‌

আরও পড়ুন- বাড়িতে তিন সন্তান, তাও করোনা মুক্ত হওয়ার একমাস পরও বাঙ্গুরের করোনা বেডেই পড়ে রয়েছেন বৃদ্ধা মা 

১. করোনাকে মাথায় রেখে ফ্লাড শেল্টারে মানুষকে আশ্রয় দেওয়ার আগে দেহের তাপমাত্রা দেখে নেওয়া হোক ও অসুস্থ সাধারণ মানুষের জন্য আলাদা আশ্রয় তৈরি করা হোক, যাতে গ্রামে করোনা আরও ছড়িয়ে না যায়। ২. মানুষের পানীয় দরকার পড়লে বৃষ্টির জল যেন জমা করে রাখেন কারণ বাঁধ ভাঙলে নোনা জল পান এর অযোগ্য।

RELATED Articles