আশার থেকে অনেকটা নেমে গিয়ে বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে কার্যত ধরাশায়ী হয়েছে বিজেপি শিবির। চাণক্য অমিত শাহ্, মোদী ম্যাজিক উত্তরপ্রদেশ, বিহারে চললেও বুদ্ধিজীবী বাঙালির রাজ্যে একেবারে মুখ থুবরে পড়েছে।
রথযাত্রা, রথযাত্রা, মোদীর রেকর্ড সংখ্যায় বাংলায় সভা করতে আসা কোনও কিছুই
ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়ালো না নির্বাচনে। বিজেপিকে বাংলায় রুখতে তৃণমূলই যে একমাত্র ভরসা তা প্রমাণ করলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বিপুল ভোটে জয়। এই নির্বাচনের ওপর নজর ছিল দেশের। এখানে লড়াই ছিল মোদী বনাম মমতা, অমিত বনাম মমতা। এই হাইভোল্টেজ নির্বাচনে বঙ্গবাসী ফের প্রমাণ করলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়তেই আস্থা রাখছে পশ্চিমবঙ্গ।
প্রচন্ড হতাশাজনক ফল করেও বিজেপির প্রদেশ অধ্যক্ষ দিলীপ ঘোষ দোষ চাপিয়েছেন দল বদলু দুর্নীতিগ্রস্ত প্রাক্তন তৃণমূল অধুনা বিজেপি নেতাদের ওপর।
আরও পড়ুন-ব্যতিক্রমী নির্বাচনে হারলেন তারকা-মন্ত্রীরা! জয় ছিনিয়ে আনলেন রাজমিস্ত্রি’র ঘরনী চন্দনা বাউরি
টালিগঞ্জ কেন্দ্রে হেরে গিয়ে বাবুল সুপ্রিয় তো বলে বসেছেন তৃণমূলের জয় নাকি বাংলার মানুষের কাছে ঐতিহাসিক ভুল।
তবে গত ৭ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে থেকে কি বলছেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়? লোকসভায় দুর্দান্ত ফল করেও কেনও এমন বিপর্যয় বিধানসভায়?
আরও পড়ুন- বিয়েবাড়িতে অভিযান চালিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন, শেষে নিজের পদ ছাড়লেন ত্রিপুরার সেই জেলাশাসক
তবে এই ফলাফলে তিনি খুব একটা হতাশ নন তা তাঁর বক্তব্যেই স্পষ্ট। এইরকম হতাশাপূর্ণ ফল করার পরেও কৈলাস বিজয়বর্গীয় জানিয়েছেন কোনও রাজ্যের একক বৃহত্তম বিরোধী দল হওয়া কোনও মুখের কথা নয়। আমরা রাজ্য রাজনীতিতে একটা শূন্যতা পূরণ করেছি। আমরা হয়তো সরকার গঠন করতে পারিনি, কিন্তু অনেকটা এগিয়েছি। এই ফল হতাশাজনক নয়। আমরা ভাল ভোট পেয়েছি এবং আসন সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার