নন্দীগ্রাম! ২১শে বিধানসভার সবচেয়ে চর্চিত আসন। এখানেই ভোট প্রচারে গিয়ে আহত হন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকেই হুইলচেয়ার সঙ্গী। এই ঘটনায় রাজনৈতিক রঙ লাগান খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ করে বলেন তাঁকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আক্রমণ করা হয়েছে। আক্রমণ করেছে বিজেপি। উক্ত ঘটনার সিবিআই তদন্তে চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিলেন তিন আইনজীবী। শীর্ষ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।
আরও পড়ুন- ‘বিজেপি করবেন না, আমাদের বিরোধিতা করলে উচ্ছেদ করে ছাড়ব’, হুমকি তৃণমূল নেতা গৌতম দেবের
নন্দীগ্রামে ভোটের আগে থেকে এলাকার মাটি কামড়ে পড়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আহে নন্দীগ্রামে প্রচার কর্মসূচির মধ্যেই তিনি আহত হন।গাড়ির দরজা পায়ে লেগে গুরুতর চোট পান তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চোট পাওয়ার মুহূর্তেই নন্দীগ্রাম থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করে জানান, বিজেপির কয়েকজন চক্রান্ত করে তাঁকে জখম করেছেন। পরিকল্পনামাফিক তাঁর গাড়ির দরজা ঠেলে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। যদিও বিজেপির তরফে এই অভিযোগ নস্যাৎ করে পাল্টা তৃণমূলনেত্রীকেই কাঠগড়ায় তোলা হয়।
আরও পড়ুন- রোজভ্যালি থেকে নিয়মিত টাকা যেত তৃণমূলে! চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস
নন্দীগ্রামে আহত হয়ে সেদিন রাত থেকেই কলকাতায় এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত হুইল চেয়ারে বসেই দলের হয়ে প্রচার সারছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। নন্দীগ্রামেও গোটা ভোট পর্বে হুইল চেয়ারে বসেই প্রচার চালিয়েছেন তিনি। নন্দীগ্রামে ভোটের প্রচারের জন্য রেয়াপাড়ায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী। সেখান থেকেই ভোটের প্রচার সেরেছেন তিনি।





