টুইটারে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে ব্লক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ, সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে এমনটাই জানান তিনি। এরপরই পাল্টা টুইট করে মমতাকে খোঁচা দিলেন রাজ্যপাল।
এদিন টুইটারে তিনি লেখেন, “সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫৯-এ বলা আছে, সাংবিধানিক নিয়ম-নীতি এবং আইনের শাসনকে কেউ ব্লক করতে পারেন না। দায়িত্বপ্রাপ্তদের উচিত দেশের সংবিধানের প্রতি আস্থা রাখা”।
আজ সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেন, “আমি রাজ্যপালকে টুইটারে ব্লক করে দিয়েছি। ব্লক করতে বাধ্য হয়েছি”। কিন্তু কেন রাজ্যপালকে টুইটারে ব্লক করেছেন তিনি?
এর কারণ ব্যাখ্যা করে মমতা বলেন, “ওঁর কাছে বহু ফাইল, অনেক বিল আটকে রয়েছে। ওঁর সঙ্গে গিয়ে আমি দেখা করেছি। কথা বলেছি। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। হাই কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতির ফাইল, মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানের ফাইল আটকে রেখেছেন রাজ্যপাল। আটকে রয়েছে হাওড়া-বালি বিল। বিল পাঠানোর পর আরও তথ্য জানতে চেয়েছিলেন। আমরা তা-ও পাঠিয়েছি। তার পরেও বিল পড়ে রয়েছে”।
মমতার কথায়, রাজ্য সরকারের নানান কাজে রাজ্যপাল বাধা দিয়েছেন। এ নিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে বারবার চিঠিও লিখেছেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু তাঁর দাবী, এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কোনও পদক্ষেপ করেন নি।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “বাম জমানায় যখন রাজ্যপাল ছিলেন ধর্মবীর, তখন তিনি কিছু ফাইলে সই করেননি। তা নিয়ে আন্দোলন হয়েছিল। শেষমেশ তাঁকে সরে যেতে হয়েছিল। আমরা তো দেড় বছর ধরে সহ্য করছি”।





